Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, পাহাড়ে ধস নামার আশঙ্কা

ফের বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গে। সোমবার আবহাওয়ার এমন পূর্বাভাস ঘোষণা করেছে সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর।

আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, পাহাড়ে ধস নামার আশঙ্কা
  • ১৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ফের বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা উত্তরবঙ্গে। সোমবার আবহাওয়ার এমন পূর্বাভাস ঘোষণা করেছে সিকিম কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর। এতেই ধস বিধ্বস্ত ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক ও তিস্তা নদীর তীরবর্তী গ্রাম নিয়ে উদ্বিগ্ন বিভিন্ন মহল। তাঁদের একাংশ কালিম্পং ও সিকিমের লাইফ লাইন ফের বন্ধ হওয়া ও গ্রাম প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। তবে এর মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।

Advertisement

উত্তরকন্যায় বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, আবহাওয়ার গতিবিধির উপর নজর রাখা হয়েছে। এজন্য কালিম্পং, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে কিউআরটিকে সতর্ক করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে টানা কয়েকদিন ভারী বৃষ্টি হয় উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতলে। দু’দিন ধরে এখানে বৃষ্টির দেখা নেই বললেই চলে। তীব্র গরমে হাঁসফাঁস সমগ্র উত্তরবঙ্গে। এই অবস্থায় এদিন দুপুরে শিলিগুড়ির আকাশে মেঘ জমলেও বৃষ্টি হয়নি। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ, মঙ্গলবার এখানে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের এমন পূর্বাভাস পেয়েই পাহাড় ও সমতলের প্রশাসন কিউআরটিগুলিকে সজাগ করেছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ধসের জেরে কালিম্পং ও সিকিমের লাইফ লাইন ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে। তা হলেও রবিবার থেকে সংশ্লিষ্ট সড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় এদিন সংশ্লিষ্ট সড়কের সেলফিধারার কাছে পাহাড় থেকে বেশ কয়েকবার পাথর পড়ে। এরজেরে যান চলাচল ব্যাহত হলেও রাস্তা বন্ধ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, জোর বৃষ্টি হলেই ধসে বিপর্যস্ত হতে পারে রাস্তাটি। তা হলে পুজোর মুখে পর্যটন ব্যবসায় বড়ধরনের লোকসান হতে পারে।
এদিকে, তিস্তা নদীর জলস্তর কিছুটা কমেছে। কালিম্পংয়ের তিস্তাবাজার, মালবাজার ও হলদিবাড়ির অধিকাংশ গ্রাম থেকে নেমেছে নদীর জল। তবে, ক্রান্তি ব্লকের কেরানিপাড়া, মাস্টারপাড়া, বাসুসুবা ও পূর্ব সাঙ্গাপাড়া এখনও জলমগ্ন। সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলির বাসিন্দারা ভেলা করে যাতায়াত করছেন। স্থানীয়দের বক্তব্য, ভারী বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠবে।    

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ