Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ডায়ারিয়ার কোপে বরাবাজারের গ্রাম, পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যকর্তা

ডায়ারিয়ার প্রকোপ পুরুলিয়ার বরাবাজারের রানসি গ্রামে। গত শনিবার থেকে ওই গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দার বমি ও পায়খানার সমস্যা দেখা দেয়। তাঁরা বরাবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেন।

ডায়ারিয়ার কোপে বরাবাজারের গ্রাম, পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যকর্তা
  • ৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানবাজার: ডায়ারিয়ার প্রকোপ পুরুলিয়ার বরাবাজারের রানসি গ্রামে। গত শনিবার থেকে ওই গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দার বমি ও পায়খানার সমস্যা দেখা দেয়। তাঁরা বরাবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেন। এরপরেই বিষয়টি নজরে আসে চিকিৎসকদের। অস্বাস্থ্যকর পানীয় জল থেকেই ছড়াচ্ছে ডায়ারিয়া বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। বরাবাজারের বিএমওএইচ শুভাশিস মুদি জানান, আমি নিজে ওই গ্রাম পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। গ্রামের মানুষ যে নলকূপের জল ব্যবহার করেন পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে সেই জল স্বাস্থ্যকর নয়। তা ব্যবহারের ফলেই রোগ ছড়াতে পারে। যাতে রোগের প্রকোপ না বাড়ে সেজন্য গ্রামবাসীদের প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র এবং জল ফুটিয়ে খাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। গ্রামের আইসিডিএস কর্মী সহ স্বাস্থ্যকর্মীরা নজর রাখছেন। এছাড়াও স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে গ্রামের কুয়ো, পুকুরে ব্লিচিং ছড়ানো হয়েছে।

Advertisement

বরাবাজার ব্লকের বাঁসবেড়া পঞ্চায়েতের রানসি গ্রামের বাসিন্দারা জানান, শনিবার থেকে এলাকার কয়েকজনের বমি, পেট ব্যথা ও  পায়খানার লক্ষণ দেখা দেয়। এরপরেই তাঁদের কয়েকজনকে বরাবাজার ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের দেখে চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন তাঁরা সবাই ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত ওই গ্রামের মোট ১২ জন ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। 
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বাকিদের বাড়িতেই চিকিৎসা চলছে। চারজনের মধ্যে একজনকে পুরুলিয়া দেবেন মাহাতো মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকি তিনজনের বরাবাজারে চিকিৎসা চলছে।
রানসি গ্রামের মাধুরী মাহাতো সহ কয়েকজন জানান, কী থেকে সমস্যা হচ্ছে বুঝতে পারছি না। চিকিৎসকরা দেখছেন। চিকিৎসকদের অনুমান, অস্বাস্থ্যকর পানীয় জলের জন্যই রোগ ছড়িয়েছে। 
গ্রামবাসীরা নলকূপের পাশাপাশি ওই গ্রামের একটি কুয়োর জল ব্যবহার করেন। এছাড়া নিত্যদিন পুকুরের জলে চলে কাপড় কাচা, বাসন মাজার  পর্ব। বাসিন্দাদের আপাতত এখন ওই জল ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ