Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অনিয়ম রুখতে বীরভূম জেলার ইউএসজি সেন্টারগুলিতে কড়া নজরদারি স্বাস্থ্যদপ্তরের

বীরভূম জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের অধীন একাধিক ইউএসজি সেন্টার রয়েছে।

অনিয়ম রুখতে বীরভূম জেলার ইউএসজি সেন্টারগুলিতে কড়া নজরদারি স্বাস্থ্যদপ্তরের
  • ১৫ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বীরভূম জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের অধীন একাধিক ইউএসজি সেন্টার রয়েছে। কোনও সেন্টারে নিয়ম না মেনে লিঙ্গ নির্ধারণ করা হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে কড়া নজরদারি চলছে। অনিয়মের অভিযোগ উঠতেই ইতিমধ্যেই মহম্মদবাজারের একটি ইউএসজি সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে জানা গিয়েছে, পরিকাঠামোগত সমস্যা সহ একাধিক অনিয়ম প্রকাশ্যে আসতেই অনির্দিষ্টকালের জন্য ওই সেন্টারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শুভব্রত ঘোষ বলেন, অভিযোগ পেতেই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই সেন্টারটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য সেন্টারগুলির প্রতিও কড়া নজরদারি চলছে। কোনও সেন্টারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Advertisement

স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূম স্বাস্থ্য জেলার অধীন সিউড়ি ও বোলপুর মহকুমা মিলিয়ে প্রায় ৪৮টি ইউএসজি সেন্টার রয়েছে। স্বাস্থ্যকর্তাদের দাবি, নিয়ম মেনেই প্রতিটি সেন্টারে কাজ চলছে। তবে, ইউএসজির মাধ্যমে কোথাও লিঙ্গ নির্ধারণের মতো ঘটনা ঘটছে কি না তা দেখতে নিয়মিত নজরদারিও চালানো হচ্ছে। এরই মাঝে মহম্মদবাজার ব্লকের একটি ইউএসজি সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। অভিযোগ, ওই সেন্টারের তরফে ‘এফ’ ফর্মে সঠিকভাবে তথ্য নথিভুক্ত করা হচ্ছিল না। এছাড়াও রেজিস্টার ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কিছু অভিযোগ রয়েছে। 
বিশেষ সূত্রের খবর, চিকিৎসকের নাম থেকে শুরু করে একাধিক তথ্য ‘এফ’ ফর্মে নথিভুক্ত করা হতো না। ঘটনায় জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে প্রথমে ওই সেন্টার কর্তৃপক্ষকে শোকজ করা হয়েছিল। যদিও সময় পেরিয়ে গেলেও কর্তৃপক্ষের তরফে শোকজের কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। এরপরই গত মাসে ওই সেন্টারে স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা হানা দেন। অনিয়মের অভিযোগে ওই সেন্টারটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।  
জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, কোনও ইউএসজি সেন্টারের তরফে নিয়ম ভেঙে লিঙ্গ নির্ধারণ করা হলে সেক্ষেত্রে জেল জরিমানা অবধি হতে পারে। এছাড়াও ওই সেন্টারটি পুরোপুরিভাবে সিল করে দেওয়া হতে পারে। সেক্ষেত্রে এবিষয়ে নিয়মিত স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিটি সেন্টারের কাজকর্ম সরেজমিনে খতিয়েও দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলার অন্যান্য ইউএসজি সেন্টারগুলির ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ