Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কান্দি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান চালু করতে সবুজ সঙ্কেত স্বাস্থ্যদপ্তরের

এবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালে সরকারিভাবে সিটি স্ক্যান করার সুযোগ মিলবে

কান্দি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান চালু করতে সবুজ সঙ্কেত স্বাস্থ্যদপ্তরের
  • ২৫ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: এবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালে সরকারিভাবে সিটি স্ক্যান করার সুযোগ মিলবে। সম্প্রতি স্বাস্থ্যদপ্তরের তরফে এবিষয়ে সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। এই খবরে কান্দি মহকুমার বাসিন্দা ও হাসপাতালের কর্মীদের মধ্যে খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে। আগামী ছ’মাসের মধ্যে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে বলে কান্দির বিধায়ক মনে করছেন।

Advertisement

কান্দি মহকুমা এলাকার রোগীদের বর্তমানে সিটিস্ক্যান করাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে হয়। ফলে বেশি সময় লাগার পাশাপাশি অনেকক্ষেত্রেই ওই পরিষেবা পেতে হয়রানি হয়। তাছাড়া, বহরমপুরের মতো জায়গায় অসুস্থ রোগীকে নিয়ে যেতে রোগীর আত্মীয়দের অনেক অসুবিধা হয়। এবার সেই সমস্যা মিটতে চলেছে। কান্দি মহকুমা হাসপাতালেই সরকারিভাবে সিটি স্ক্যান করার সুযোগ মিলবে।
সোমবার কান্দি শহরে একটি সামাজিক কর্মসূচিতে অংশ নেন কান্দির বিধায়ক তথা মহকুমা হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান অপূর্ব সরকার। তিনি বলেন, ১৯মার্চ মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় এই অনুমোদন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। এর জন্য মহকুমাবাসীর তরফে রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।
পরে অপূর্ববাবু সংবাদমাধ্যমকে জানান, এই হাসপাতালে সিটি স্ক্যান যন্ত্র বসানোর বিষয়টি অনেক আগেই বিধানসভায় তোলা হয়েছিল। পরবর্তীতে স্বাস্থ্যদপ্তরের সঙ্গে এবিষয়ে বারবার আলোচনা হয়েছে। স্বাস্থ্যদপ্তর অনুমোদন দিয়েছে। এতে এলাকার মানুষ উপকৃত হবেন। আগামী ছ’মাসের মধ্যেই এই পরিষেবা পাওয়া যাবে।
কান্দির এসএমওএইচ সৌমিক দাস বলেন, মহকুমা হাসপাতালে সিটি স্ক্যান যন্ত্র বসানোর অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে বলে শুনেছি। ওই যন্ত্র কোথায় বসানো হবে, সেবিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।
কান্দি হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, একবছর আগে স্বাস্থ্যদপ্তরের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা পরিদর্শনে এসেছিলেন। সেসময় তাঁদের কাছে সিটি স্ক্যানের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়েছিল। অবশেষে তার অনুমোদন মিলেছে।
কান্দি হাসপাতালে সিটি স্ক্যান চালুর অনুমোদন মেলার খবরে শহরবাসী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে যায়। এই পরিষেবা চালু হলে স্থানীয় স্বাস্থ্য পরিকাঠামো অনেকটা উন্নত হবে বলে তাঁরা জানান।
হাসপাতাল চত্বরের ব্যবসায়ী আনারুল হোসেন বলেন, এই যন্ত্র অনেক আগেই এখানে বসানো উচিত ছিল। এটি চালু হলে বহু রোগী উপকৃত হবেন। রোগীর আত্মীয় শুভাশিস অধিকারী বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা এই হাসপাতালে পাওয়া গেলে খুব ভালো হবে। বিশেষ করে দুঃস্থ মানুষকে রোগী নিয়ে মুর্শিদাবাদ দৌড়তে হবে না। এখন কবে পরিষেবা চালু হয়, সেটাই দেখার বিষয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ