Bartaman Logo
৩০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঘমুন্ডির স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা পরিদর্শনে স্বাস্থ্য দপ্তরের ডিরেক্টর

স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো, চিকিৎসার মান এবং রোগীদের সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির পাথরডি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা পরিদর্শনে এলেন দপ্তরের ডিরেক্টর অফ হেলথ সার্ভিসেস স্বপন সোরেন।

বাঘমুন্ডির স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা পরিদর্শনে স্বাস্থ্য দপ্তরের ডিরেক্টর
  • ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, ঝালদা: স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো, চিকিৎসার মান এবং রোগীদের সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডির পাথরডি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আচমকা পরিদর্শনে এলেন দপ্তরের ডিরেক্টর অফ হেলথ সার্ভিসেস স্বপন সোরেন। শুক্রবার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছে প্রথমেই চিকিৎসাধীন রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। হাসপাতালে তাঁরা যথাযথ পরিষেবা পাচ্ছেন কি না, ওষুধপত্র বা অন্য কোনো সমস্যা রয়েছে কি না, সে বিষয়ে রোগীদের থেকেই সরাসরি জানতে চান তিনি। রোগীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা মন দিয়ে শোনেন স্বাস্থ্য দপ্তরের ডিরেক্টর।

Advertisement

এরপর ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বপন সোরেন। বৈঠকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামগ্রিক কাজ, চিকিৎসা পরিষেবা, পরিকাঠামো, রোগীদের পরিষেবা এবং বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়। উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক এবং পুরুলিয়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক বিশ্বাস।
পরিদর্শন শেষে স্বপন সোরেন জানান, স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কাজকর্মের সামগ্রিক ‘রিভিউ’ করতেই তাঁর এই সফর। বিশেষ করে ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকায় স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ম্যালেরিয়া আক্রান্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে চিকিৎসার আওতায় আনা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, আশাকর্মীরাও নিজেরা রক্ত পরীক্ষা করে ম্যালেরিয়া আক্রান্তদের শনাক্ত করছেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা হচ্ছে। তাঁর দাবি, এলাকায় ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।
পাশাপাশি মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের প্রশংসা করেন ডিরেক্টর। প্রেসার, সুগারের মতো অসংক্রামক রোগের স্ক্রিনিংয়ের উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তবে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিষেবায় কিছু ঘাটতি রয়েছে বলেও স্বীকার করেন স্বাস্থ্য কর্তা। সেই ঘাটতিগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এদিন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভরতি রোগীদের খাবারের মান নিয়েও খোঁজ নেন স্বাস্থ্য দপ্তরের ডিরেক্টর। তাঁর দাবি, আগে রোগীদের জন্য ৫৬ টাকার খাবার দেওয়া হলেও বর্তমানে সেই বরাদ্দ বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে। খাবারের গুণগত মান ঠিক রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নিয়মিত পরীক্ষা করছেন বলেও জানান তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ