Bartaman Logo
৩০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাংলা ও অসমে নেটওয়ার্ক মজবুত করে বিস্ফোরণের ছক ভাট্টি গ্যাংয়ের

বাংলা এবং অসমে নেটওয়ার্ক মজবুত করে পেট্রল বোমা এবং গ্রেনেড বিস্ফোরণের ছক কষেছে ভাট্টি গ্যাং। এই দুই রাজ্যের যুবক-যুবতীদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তারা মগজ ধোলাই করছে।

বাংলা ও অসমে নেটওয়ার্ক মজবুত  করে বিস্ফোরণের ছক ভাট্টি গ্যাংয়ের
  • ৩০ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বাংলা এবং অসমে নেটওয়ার্ক মজবুত করে পেট্রল বোমা এবং গ্রেনেড বিস্ফোরণের ছক কষেছে ভাট্টি গ্যাং। এই দুই রাজ্যের যুবক-যুবতীদের সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তারা মগজ ধোলাই করছে। এই গ্যাংয়ে যুক্ত থাকার অভিযোগে কয়েক দিন আগে এসটিএফ এরাজ্য থেকে হামিম, অর্পিতা এবং আদিত্য নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ২৬ আগস্ট তাদের আর এক সহযোগী ফাজল ইসলামকে অসমের হাইলকান্দি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। ২১ বছরের ওই যুবক সেরাজ্যে নেটওয়ার্ক বিস্তারের বড়ো ভূমিকা নিচ্ছিল। তার ঘনিষ্ঠ আরও কয়েকজনের উপর গোয়েন্দারা নজর রেখেছেন।

Advertisement

এক সময় পাঞ্জাব, দিল্লির মতো বিভিন্ন রাজ্যে শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক বাড়াতে লোক নিয়োগে জোর দিয়েছিল। কিন্তু, গোয়েন্দা তৎপরতায় সেখানে কাজ করতে সমস্যা হচ্ছিল। এরপরই তারা বাংলা এবং অসমে সংগঠনের বীজ বপনের চেষ্টা করে। এই দুই রাজ্য থেকেও তাদের শিকড় সমেত উপড়ে ফেলতে অসম এবং এরাজ্যের গোয়েন্দারা এক যোগে কাজ করছে। এক আধিকারিক বলেন, ভাট্টি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে গ্যাংস্টার পরিচয় দিয়ে যুবক-যুবতীদের সংগঠনে টানে। কিন্তু আদতে সে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে। ‘আইএসআই’ এই গ্যাংকে মদত দেয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের হামলার ছক ছিল। পেট্রল বোমা বা গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর টার্গেট তারা নিয়েছিল। কিন্তু, গোয়েন্দাদের তৎপরতায় তাদের পরিকল্পনা ধাক্কা খেয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে অস্থিরতা তৈরি তাদের টার্গেট। সেই কারণেই তারা এই দুই রাজ্যে সদস্য নিয়োগে জোর দিয়েছে। বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার হওয়া হামিমকে আগস্ট মাসে অপারেশন করার ‘টাস্ক’ দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো সে কাজও শুরু করে। হাওড়ার এক জনপ্রতিনিধির আত্মীয় ছিল তার শিকার। ওই জনপ্রতিনিধিকে ফোন করেই গোয়েন্দাদের জালে জড়িয়ে যায়। তাকে জেরা করে ভাট্টি গ্যাংয়ের অনেকের নাম আধিকারিকরা পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে তিনজন গ্রেপ্তার হয়। বাকিরা গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ