নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: দুদিকেই খতিয়ে দেখা চলছে। সেপ্টেম্বর মাসে দিল্লিতে হতে চলেছে ব্রিকস সম্মেলন। ইতিমধ্যেই ওই সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি আসা নিশ্চিত করেছেন জি জিনপিং এবং ভ্লাদিমির পুতিন। এই সম্মেলন জি টুয়েন্টির পর আবার নরেন্দ্র মোদি ও ভারত সরকারের কাছে বিশেষ একটি আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রাপ্তির মঞ্চ হতে চলেছে। আর সেই মর্যাদা অর্জনে মরিয়া হয়েছে ভারত সরকার। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, ভারতের আমন্ত্রণ এসেছে। আমরা খতিয়ে দেখছি যে, ওই সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কোনো কর্মসূচি আছে কি না। অন্যদিকে, তার আগেই একাধিকবার ভারতকে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বলেছে, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করা হোক। জুলাই আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা ২০২৫ সালের আগস্ট মাস থেকেই নয়াদিল্লিতে এসে বাস করছেন। ভারত বাংলাদেশের ওই আবেদন নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এবার ব্রিকস সম্মেলনের আগে সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটিকে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে ঢাকায় ফেরত পাঠানো অর্থাৎ প্রত্যর্পণের দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ১২ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের আগেই কি ভারত সরকার শেখ হাসিনা সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেবে? যাতে তারেক রহমানকে ইতিবাচক বার্তা দেওয়া যায়?



