ঢাকা: আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামি লিগ অংশ নিতে পারবে না। একথা আগেই ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসকে সরাসরি তোপ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
ঢাকা: আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামি লিগ অংশ নিতে পারবে না। একথা আগেই ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে এবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসকে সরাসরি তোপ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।
আওয়ামি লিগের ফেসবুক পেজে হাসিনার একটি অডিয়ো বার্তা পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে হাসিনার প্রশ্ন, কেন তাঁদের দলকে নির্বাচনে লড়তে দেওয়া হবে না? রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে হাসিনার দাবি, সাহস থাকলে যে কোনো আসনে ইউনুস তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচনে লড়াই করুন। যেখানেই লড়বেন, সেখানেই তিনি ইউনুসকে হারাবেন বলেও জানিয়েছেন হাসিনা।
বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ইউনুস জনমত নিয়ে ক্ষমতায় আসেননি। এখনও দেশের ৫০ শতাংশের বেশি মানুষ আওয়ামি লিগের সমর্থক। তাহলে কীসের ভিত্তিতে ইউনুস আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেন? নির্বাচনের নামে প্রহসন হতে চলেছে বলেও দাবি করেছেন হাসিনা।
এদিকে, দেশদ্রোহিতা মামলায় হাসিনা সহ ২৮৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন নিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি শুনানি হবে বলে জানাল ঢাকার আদালত। হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামে একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন তিনি। ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার ব্যাপারে ষড়যন্ত্র হয়েছিল ওই বৈঠকে।মোট ৫৭৭ জন বাংলাদেশ ও বিদেশ থেকে ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী আওয়ামি লিগ নেতা ডঃ রাব্বি আলম। গত বছরের আগস্টে সিআইডি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করে। এর আগে গত অক্টোবরে এই মামলায় হাসিনা সহ বাকি ‘পলাতক’ অভিযুক্তদের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।