Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

হড়পা বান: এখনও নিখোঁজ অনেকে ধ্বংসস্তূপ হাতড়ে চলেছে কিস্তোয়ার, বিপর্যয়ে মৃত কমপক্ষে ৬০

মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান। বিধ্বস্ত জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ার

হড়পা বান: এখনও নিখোঁজ অনেকে ধ্বংসস্তূপ হাতড়ে চলেছে কিস্তোয়ার, বিপর্যয়ে মৃত কমপক্ষে ৬০
  • ১৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

শ্রীনগর: মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান। বিধ্বস্ত জম্মু ও কাশ্মীরের কিস্তওয়ার। এখানকার চশোতি গ্রামে বৃহস্পতিবারের এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা কমপক্ষে ৬০। নিখোঁজ শতাধিক। জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ। কাদা-মাটি, পাথর ও ধ্বংসস্তূপের নীচে এখনও আটকে বহু মানুষ। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। চারিদিকে গৃহহীন ও স্বজনহারাদের হাহাকার। মরিয়া চেষ্টায় ধ্বংসাবশেষ হাতড়ে চলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরইমধ্যে শনিবার জনতার ক্ষোভের মুখে পড়লেন জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। অভিযোগ, উদ্ধারকাজ ধীর গতিতে এগচ্ছে। এবিষয়ে ওমর বলেন, ‘দু’দিন কেটে গিয়েছে। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। অপেক্ষার প্রহর গুনছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের ক্ষোভের কারণ আমি বুঝতে পারছি। ওরা উত্তর চাইছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সেনা, সিআইএসএফ থেকে শুরু করে জম্মু-কাশ্মীর পুলিস। সকলেই যৌথভাবে তল্লাশি চালাচ্ছেন। নিখোঁজদের জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করাই আমাদের লক্ষ্য। তারপর মৃতদেহ উদ্ধারের কাজ শুরু হবে।’

Advertisement

কাশ্মীরের বিখ্যাত মাচিল মাতা তীর্থযাত্রা শুরু হয় চশোতি থেকে। এখান থেকেই সাড়ে ৮ কিমি পথ হেঁটে মন্দিরে যেতে হয়। ২৫ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে তীর্থযাত্রা। বৃহস্পতিবার চশোতিতে ছিলেন বহু পুণ্যার্থী। দুপুর ১২টা ২৫ নাগাদ মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ হড়পা বান নামে। জলের তোড়ে ভেসে যায় অস্থায়ী বাজার, কমিউনিটি কিচেন, সিকিওরিটি আউটপোস্ট সহ একাধিক ভবন। শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৬০। নিখোঁজ ৭০ থেকে ৮০ জন। যদিও ক্ষুব্ধ স্থানীয়দের দাবি, সংখ্যাটা শতাধিক। মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘ইতিমধ্যে ডেপুটি কমিশনারের তহবিলের ৩৬ লক্ষ টাকা দুর্গতদের দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আরও টাকা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছি।’ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি এদিন ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে দেখা করেন ফারুখ-পুত্র। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার আর্জি জানান তাঁরা। এব্যাপারে ওমর বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার পরেই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ