সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: হলদিবাড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে ‘জোর’ করে ইস্তফা দেওয়ানো হয়েছে। কিন্তু দু’সপ্তাহের বেশি হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট দু’টি পদ এখনও ফাঁকা। এমন অবস্থায় নাগরিক পরিষেবা নিয়ে উঠছে নানান প্রশ্ন। ওই দুই পদে কারা দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা নিয়েও শহরজুড়ে চলছে চর্চা।
উল্লেখ্য, গত লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার জেলার পুরসভাগুলিতে বিরোধী বিজেপির ভোটের নিরিখে পিছিয়ে ছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এরপরই কয়েকটি পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। হলদিবাড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান দলের নির্দেশ পেলেও প্রথমটায় বেঁকে বসেন। যা নিয়ে জল অনেক দূর গড়ায়। মেখলিগঞ্জ পুরসভার হলঘরে হলদিবাড়ি পুরসভার কাউন্সিলারদের নিয়ে দলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক, মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী বৈঠকে বসেন। ১২ নভেম্বর হলদিবাড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে শংকরকুমার দাস ও ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকে অমিতাভ বিশ্বাস ইস্তফা দেন।
এদিকে, দু’সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে কউকে বসাতে পারেনি দল। ফলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে পুরবাসীর মধ্যে। হলদিবাড়ি শহরের বাসিন্দা রাজা রায়, সাধন বর্মন বলেন, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের পদত্যাগ ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে খবরের কাগজে, টিভি চ্যানেলে অনেককিছু শুনেছি। অবশেষে তাঁরা দলীয় নির্দেশে ইস্তফা দিলেও ওই দুই পদে এখনও কাউকে দায়িত্ব কেন দেওয়া হচ্ছে না, বুঝতে পারছি না। ইনকাম সার্টিফিকেট নিতে পুরসভায় গিয়ে চেয়ারম্যানের দেখা পাচ্ছি না।
যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের হলদিবাড়ি শহর সভাপতি অমিতাভ বিশ্বাসের বক্তব্য, সব ঠিক হয়ে গিয়েছে। এখনই বলছি না কাদের ওই দুই পদে বসানো হবে। তবে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্বভার গ্ৰহণ করবেন।