Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জিমে গুলি কাণ্ড: সিসি ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা

জিমে গুলি চালানোর ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্তরা। তবে কিছু তথ্য এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে।

জিমে গুলি কাণ্ড: সিসি  ক্যামেরা ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জিমে গুলি চালানোর ঘটনায় এখনও অধরা অভিযুক্তরা। তবে কিছু তথ্য এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দক্ষিণ কলকাতার দেশপ্রাণ শাসমল রোডে জিমে গুলি চালানোয় অভিযুক্তরা লেন ভেঙে বাইক চালিয়ে এসেছিল। ঘটনার পর একইভাবে তারা পালায়। রাস্তায় ট্র্যাফিকের ক্যামেরায় ওই বাইকটি উল্টো লেন দিয়ে আসতে দেখা গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে অভিযুক্তদের আসা যাওয়ার রুট গোয়েন্দারা চিহ্নিত করেছেন বলে খবর। গুলি চালানোয় দুই অভিযুক্তকে এই সূত্রেই চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে জিমের মালিক তথা রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী জয় কামদারকে কারা পছন্দ করতেন না এবং তাঁর বিরোধী শিবিরের লোক বলে কারা পরিচিত, তাদের তালিকা তৈরি করছে লালবাজার।

Advertisement

রবিবার ভর দুপুরে দেশপ্রাণ শাসমাল রোডে ওই জিমে গুলি চলার ঘটনা ঘটে। দুই অভিযুক্ত বাইকে চেপে এসেছিল। বাইকের নম্বর প্লেট অস্পস্ট থাকায়, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোডের দুই দিক অর্থাৎ টালিগঞ্জ প্রান্ত ও রাসবিহারী প্রান্তের ট্র্যাফিকের সিসি ক্যামেরার ছবি নেওয়া হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, বাইকটি টালিগঞ্জগামী লেন দিয়ে উল্টো দিকে  রাসবিহারীর দিকে দ্রুত গতিতে আসছিল। আসার সময় একাধিক সিগন্যাল তারা ভেঙেছে। যাওয়ার সময় আবার একইভাবে পালিয়েছে। সেই সূত্রে তদন্তকারীদের অনুমান, অভিযুক্তরা টালিগঞ্জ বা বেহালার দিক থেকে এসেছিল। সেই কারণে এই সমস্ত এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ নিয়ে বিশ্লেষণ চলছে। তদন্তকারীরা জেনেছেন, ব্যবসায়ী জয়বাবু যেভাবে একের পর এক নির্মাণ কাজ করছিলেন সেটি মেনে নিতে পারছিলেন না অনেকেই। এমনকি এক ব্যবসায়ীর পছন্দ হওয়া জমি ওই রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী কিনে নিয়েছিলেন। যা নিয়ে ওই ব্যবসায়ী কিছুটা ক্ষুব্ধ হন। সরাসরি তিনি জমি মালিককে কিছু না বললেও ভিতরে ভিতরে প্ল্যান করেছিলেন কি না সেটা দেখছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি জয়বাবু যে সমস্ত জমি কেনেন সেগুলি কীভাবে কিনেছিলেন, তা নিয়ে তাঁর সঙ্গে কারও শত্রুতা তৈরি হয়েছিল কি না এবং প্রভাব কাজে লাগিয়েছিলেন কি না, সেটা খতিয়ে দেখছে লালবাজার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ