Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

যাত্রার দিন বদলই কাল, প্রাণ হারালেন গুজরাতের দম্পতি

একেই হয়তো বলে ভাগ্যের পরিহাস! প্রথমে ৬ জুন লন্ডন ফেরার কথা ছিল। সেই হিসেবে টিকিট পর্যন্ত কেটে রেখেছিলেন মোনালি ও সানি প্যাটেল

যাত্রার দিন বদলই কাল, প্রাণ হারালেন গুজরাতের দম্পতি
  • ১৫ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

আমেদাবাদ: একেই হয়তো বলে ভাগ্যের পরিহাস! প্রথমে ৬ জুন লন্ডন ফেরার কথা ছিল। সেই হিসেবে টিকিট পর্যন্ত কেটে রেখেছিলেন মোনালি ও সানি প্যাটেল। তবে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে পিছিয়ে যায় যাত্রা। ঠিক করলেন, ১২ জুন লন্ডন ফিরবেন। এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ড্রিমলাইনার বিমানে। সেটাই কাল হল। বৃহস্পতিবার দুপুরে টেক অফের পরেই ভেঙে পড়ে এআই ১৭১। অভিশপ্ত সেই বিমানের যাত্রী ছিলেন গুজরাতের আনন্দ শহরের এই এনআরআই দম্পতি। গুজরাতের এই শহর ‘এনআরআই সিটি’ হিসেবেই বিশেষ পরিচিত।

Advertisement

তুতোভাই হলেও মোনালিকে নিজের বোনের মতো ভালোবাসতেন জিগনেশ। গানা গ্রামের বাসিন্দার কথায়, ‘ওরা দু’মাস আগেই এসেছিল। মোনালির চিকিৎসা চলছিল এখানে। স্ত্রীর সঙ্গে থাকার জন্য লন্ডনের ব্যবসা সামলেও ভারতে চলে আসে সানি। ওদের কোনও সন্তান ছিল না। আমাদের সন্তানদের মোনালি খুব ভালোবাসত।’ ১২ জুন সকালে সপরিবারে দিদি-জামাইবাবুর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন জিগনেশ। তাঁর কথায়, ‘দিদি জড়িয়ে ধরেছিল। খুব খুশি ছিল। আশীর্বাদ দিয়ে বলেছিল, ফিরে আসব।’ বোর্ডিংয়ের পরেও ভাইবোনের কথা হয়েছিল। কিন্তু সেটাই যে শেষ কথা হবে, তা এখনও মেনে নিতে পারছেন না জিগনেশ। সাত বছর আগে লন্ডনে সানিকে বিয়ে করেন মোনালি। ভিসা না পাওয়ায় দিদির বিয়েতে যেতে পারেননি জিগনেশ। তবে প্রতি বছর দেশে এসে ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধতেন মোনালি। বৃহস্পতিবারের অভিশপ্ত দুপুরে এক লহমায় সবকিছু বদলে দিল। দুর্ঘটনার সময় লন্ডনে ছিলেন মোনালির মা-বাবা। খবর পাওয়ামাত্র আমেদাবাদ চলে আসেন তাঁরা। জিগনেশ বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভেঙে পড়েছিলেন মোনালির মা। প্রথমে জানিয়েছিলাম, মোনালি আর সানি আইসিউতে আছে। পরে সব খুলে বলি।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ