সংবাদদাতা, কাটোয়া: স্কুলে হাত তুলে হাজিরা দেওয়ার দিন শেষ। ডিজিটাল পদ্ধতিতেই এবার পড়ুয়াদের হাজিরা দিতে হবে। দাঁইহাট গার্লস স্কুলের পর এবার গুসকরা বেনিয়াপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়েও চালু হল ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি। খুদে পড়ুয়াদের পরিচয়পত্রে লাগানো রয়েছে সেন্স। তা বায়োমেট্রিক যন্ত্রে ঠেকালেই অভিভাবকদের মোবাইলে এসএমএস চলে যাবে। শুক্রবার স্কুলে ডিজিটাল পদ্ধতির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন গুসকরা পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় সহ বিশিষ্টজনেরা।
Advertisement
নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকেই কাটোয়ার দাঁইহাট গালর্স স্কুলের এমন পদ্ধতি শুরু হয়ে যাবে। ছোট পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি চালু করল স্কুল কর্তৃপক্ষ। গুসকরা বেনিয়াপুকুর প্রাথমিক বিদ্যালয়টি শহরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামসুন্দর গোস্বামী বলেন, স্কুলের পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এমনটা করা হয়েছে। এরজন্য সরকারি ভাবে ২০ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে। অনেকেই স্কুলে আসার নাম করে খেলতে চলে যেত। অভিভাবকরাও অনেক সময় তাঁদের শিশুদের নিয়ে চিন্তিত থাকতেন। তাই এমনটা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, স্কুলে আগেই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ছ’জন শিক্ষক রয়েছেন। স্কুলে পড়ুয়ারা এলেই তাদের পরিচয়পত্র বায়োমেট্রিক যন্ত্রে শিক্ষকরাই ঠেকিয়ে দেবেন। আবার ছুটি দেওয়ার সময়েও একই কাজ করবেন।
প্রসঙ্গত, দাঁইহাটে কিউআর কোড চালু করা হচ্ছে। সেটা ছাত্রীদের পরিচয়পত্রের পিছনেই দেওয়া থাকবে। ছাত্রীরা স্কুলে আসার পর গেট অথবা ক্লাস টিচার সেই কিউআর কোড স্ক্যান করিয়ে নেবেন মোবাইলে। আর সঙ্গে সঙ্গে সেই মেসেজ ছাত্রীর পরিবারের কাছে চলে যাবে। অভিভাবকরা বুঝতে পারবেন তাঁদের মেয়েরা স্কুলে গিয়েছে সঠিক সময়ে। আবার স্কুল ছুটির সময়েও একইভাবে মেসেজ চলে যাবে।
২০২৫ সালের নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে এমন আধুনিক প্রযুক্তি চালু করতে চায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। এরজন্য কলকাতায় তাঁরা একটি বেসরকারি সংস্থার দ্বারস্থ হয়ে নতুন হাজিরা অ্যাপ তৈরি করিয়েছেন। স্কুলের দাবি, প্রথম ধাপে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রীদের এমন কিউআর কোড দেওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে অন্যান্য ক্লাসেও চালু করা হবে এমন প্রযুক্তি।
প্রসঙ্গত, দাঁইহাটে কিউআর কোড চালু করা হচ্ছে। সেটা ছাত্রীদের পরিচয়পত্রের পিছনেই দেওয়া থাকবে। ছাত্রীরা স্কুলে আসার পর গেট অথবা ক্লাস টিচার সেই কিউআর কোড স্ক্যান করিয়ে নেবেন মোবাইলে। আর সঙ্গে সঙ্গে সেই মেসেজ ছাত্রীর পরিবারের কাছে চলে যাবে। অভিভাবকরা বুঝতে পারবেন তাঁদের মেয়েরা স্কুলে গিয়েছে সঠিক সময়ে। আবার স্কুল ছুটির সময়েও একইভাবে মেসেজ চলে যাবে।
২০২৫ সালের নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে এমন আধুনিক প্রযুক্তি চালু করতে চায় স্কুল কর্তৃপক্ষ। এরজন্য কলকাতায় তাঁরা একটি বেসরকারি সংস্থার দ্বারস্থ হয়ে নতুন হাজিরা অ্যাপ তৈরি করিয়েছেন। স্কুলের দাবি, প্রথম ধাপে অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রীদের এমন কিউআর কোড দেওয়া হবে। পরবর্তী ধাপে অন্যান্য ক্লাসেও চালু করা হবে এমন প্রযুক্তি।



