নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাঁটি ব্লকের সহকর্মী রুম্পা মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় বিধায়ক নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে, কর্মবিরতির পথে হাঁটতে পারেন রাজ্যের আশাকর্মীরা। বুধবার একথা জানালেন পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের সভানেত্রী ইসমত আরা খাতুন। তিনি বলেন, আশাকর্মীরা ক্ষোভে ফুঁসছেন। দিনরাত রক্তজল করে স্বাস্থ্যদপ্তরের জন্য পরিশ্রম করার পরও এই অসম্মান তাঁরা জীবনে পাননি। আমাদের দাবি তিনটি। প্রথমত, রুম্পার পরিবারকে ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, কুকথায় অভিযুক্ত বিধায়ককে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে অথবা পদত্যাগ করতে হবে তাঁকে। তৃতীয়ত, ই-কেওয়াইসির কাজ আমাদের দিয়ে জোর করে করানো যাবে না।
কর্মবিরতি নাকি বিক্ষোভ-সমাবেশ অথবা অন্যকিছু—ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা স্থির করতে আজ বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসছেন আশাকর্মীরা। ৭০-৭৫ হাজার আশাকর্মীর এই সংগঠনের তরফে এদিন রাজ্যজুড়ে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে শোকদিবস পালন করা হয়। বহু উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কালো ব্যাজ পরে ডিউটি করেন সিএইচও, আশা, এএনএম প্রমুখ কর্মীরা। এদিকে পরিস্থিতির ড্যামেজ কন্ট্রোলে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় মৃত আশাকর্মীর পরিবারের লোকজন, সংগঠনের প্রতিনিধি দলকে ডেকে পাঠান স্বাস্থ্যভবনে। উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা, বাঁকুড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, স্থানীয় এসডিও প্রমুখ। সেখানে নিজেদের দাবি পেশ করেন আশাকর্মীরা। সরকারি তফে জানানো হয়, মৃতার স্বামীকে চাকরি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।