Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

হাবড়ায় পাঁচ একর জুড়ে সবুজ বাজির ক্লাস্টার

উত্তর ২৪ পরগনায় তৈরি হবে সবুজ বাজির ক্লাস্টার। এর জন্য হাবড়া পুর এলাকায় পাঁচ একরেরও বেশি জায়গা চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। রাজ্য সরকারের ‘স্মল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড’ ডিপিআর প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে। তা পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে।

হাবড়ায় পাঁচ একর জুড়ে সবুজ বাজির ক্লাস্টার
  • ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উত্তর ২৪ পরগনায় তৈরি হবে সবুজ বাজির ক্লাস্টার। এর জন্য হাবড়া পুর এলাকায় পাঁচ একরেরও বেশি জায়গা চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। রাজ্য সরকারের ‘স্মল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড’ ডিপিআর প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে। তা পাওয়ার পর কাজ শুরু হবে।

Advertisement

এগরা থেকে দত্তপুকুর সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বাজি তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বেআইনি ও অপরিকল্পিত উৎপাদনের অভিযোগ সামনে এসেছে। এরপর বাজি শিল্পে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এই প্রেক্ষাপটে সবুজ বাজি ক্লাস্টার গঠনের উদ্যোগ বলে প্রশাসনের দাবি। উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর, বনগাঁ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হয় বাজি। মূলত পরিবেশবান্ধব বাজিকে সামনে রেখে পিছনে তৈরি হয় নিষিদ্ধ বাজি। এই বিষয়টি ওপন সিক্রেট। বছর দুই আগে দত্তপুকুরের মোচপোলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সে কাণ্ডের পর বিড়ম্বনায় পড়ে জেলা প্রশাসন। সেই সময় থেকেই শুরু হয় ক্লাস্টারের জন্য জায়গা খোঁজার কাজ। অবশেষে হাবড়ায় তৈরি হচ্ছে এই ক্লাস্টার। এখানে শুধুমাত্র পরিবেশবান্ধব বাজি তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারও নিষিদ্ধ। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। ফলে শব্দ ও বায়ুদূষণ কমবে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি ইউনিট নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে তৈরি হবে। কাঁচামাল মজুতের জন্য থাকবে আলাদা পরিকাঠামো। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও জরুরি নিরাপত্তা সরঞ্জাম রাখা বাধ্যতামূলক। শ্রমিকদের নিরাপত্তায় দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হাবড়া পুর এলাকায় ৫.০৭ একর জমি প্রকল্পের জন্য চিহ্নিত হয়েছে। সম্প্রতি জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া হয়েছে। পুর এলাকার মধ্যে হলেও ফাঁকা জায়গায় এটি তৈরি হবে। এখানে প্রাথমিকভাবে ১২ থেকে ১৫টি উৎপাদন ইউনিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা। ক্লাস্টার সম্পূর্ণ চালু হলে ৫০০ জনের কর্মসংস্থান হবে। কাজের সুযোগ পাবেন স্থানীয় যুবক-যুবতীরা। উত্তর ২৪ পরগনা জেলা শিল্প কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার শুভেন্দু বিশ্বাস বলেন, ‘ডিপিআর তৈরি হচ্ছে। কত টাকা খরচ হবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।’ হাবড়ার বিধায়ক জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, এই ক্লাস্টার রাজ্যের মডেল হবে। অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। দুর্ঘটনা হবে না। পরিবেশও বাঁচবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ