Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

জল সরবরাহে জিপিএস যুক্ত ট্যাঙ্কার ও বিশেষ অ্যাপ, ডিজিটাল নজরদারি দিল্লিতে

গ্রীষ্মকালে জলসংকট মোকাবিলায় নয়া পদক্ষেপ দিল্লি সরকারের। গ্রীষ্মকাল আসন্ন, তার আঁচ ইতিমধ্যেই পড়ছে সমগ্র দিল্লি জুড়ে। তারই মাঝে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে জলসংকট

জল সরবরাহে জিপিএস যুক্ত ট্যাঙ্কার ও বিশেষ অ্যাপ, ডিজিটাল নজরদারি দিল্লিতে
  • ১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৩
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ১৩ মার্চ: গ্রীষ্মকালে জলসংকট মোকাবিলায় নয়া পদক্ষেপ দিল্লি সরকারের। গ্রীষ্মকাল আসন্ন, তার আঁচ ইতিমধ্যেই পড়ছে সমগ্র দিল্লিজুড়ে। তারই মাঝে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে জলসংকট। দল্লি সরকার এই সংকটের মোকাবিলা করতে ঘোষনা করেছেন 'সামার অ্যাকশন প্ল্যান ২০২৬'। আর এরই অংশ হিসাবে জিপিএস যুক্ত জলবাহী গাড়ি এবং একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ চালু করল দিল্লি সরকার। সঠিক সময়ের মধ্যেই নির্দিষ্ট এলাকায় জল পৌঁছে দেওয়া, পানীয় জল সরবরাহে স্বচ্ছতা বাড়ানো, জল চুরি বা অপচয় কমানোর তাগিদেই এই বিশেষ পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে। 

Advertisement

বৃহস্পতিবার দিল্লি সচিবালয়ে এক বৈঠকের পর এই ঘোষণা করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জলমন্ত্রী পরভেশ সাহিব সিং, মুখ্যসচিব রাজীব ভার্মা এবং দিল্লি জল বোর্ডের সিইও কৌশল রাজ শর্মা। জানানো হয়, প্রতিটি জলবাহী গাড়িতে থাকবে সরকারের দেওয়া জিপিএস ডিভাইস। যার মাধ্যমে লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের আওতায় থাকবে জলের গাড়িগুলি। তাছা়ড়াও চালকদের কাছে থাকবে একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ। যার মাধ্যমে জল সরবরাহের স্থানে পৌঁছে ছবি আপলোড করতে হবে চালকদের। যা প্রমাণ হিসেবে তা সরকারের কাছে সংরক্ষিত থাকবে। 

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বলেন, 'এই প্রথম দিল্লিতে জল পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল হতে চলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়িতে বসেই জানতে পারবেন কখন এবং কোথায় জলের গাড়ি তাদের এলাকায় যাচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত সরকারি কর্মকর্তারা পুরো পরিষেবাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।'

প্রতিবছর গ্রীষ্মের শুরু থেকেই জল সংকট দেখা দেয় সমগ্র রাজ্য জুড়ে। বর্তমানে দিল্লিতে প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ মিলিয়ন গ্যালন পানীয় জল সরবরাহ করা হয়। কিন্তু যেখানে শহরের  প্রায় ২.৫ কোটি বাসিন্দার জন্য প্রয়োজন ১,২৫০ মিলিয়ন গ্যালন। স্বাভাবিকভাবেই গ্রীষ্মকালে এহেন চাহিদা বাড়ায় দ্রুত জল পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ১৬৮টি সরকারি ট্যাঙ্কার ও ৮১৯টি ভাড়ায় নেওয়া ট্যাঙ্কারকে ময়দানে নামিয়েছেন। আবার প্রয়োজন হলে আরও ২০০টি অতিরিক্ত ট্যাঙ্কার চালু করারও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তাছাড়াও মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে জলাধার পরিষ্কার করা এবং পাম্পিং স্টেশন মেরামতির মতো একাধিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ