Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বাংলার ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বাছাই নিয়ে মতান্তর রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে, বৈঠকে বসে মেটানোর পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ মামলায় জট এখনও সম্পূর্ণ কাটল না। রাজ্যের মোট ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বেছে নেওয়া ১৯টিতে কোনও আপত্তি করেননি আচার্য তথা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।

বাংলার ১৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বাছাই নিয়ে মতান্তর রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে, বৈঠকে বসে মেটানোর পরামর্শ সুপ্রিম কোর্টের
  • ১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ মামলায় জট এখনও সম্পূর্ণ কাটল না। রাজ্যের মোট ৩৬ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বেছে নেওয়া ১৯টিতে কোনও আপত্তি করেননি আচার্য তথা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। কিন্তু বাকি ১৭টির মধ্যে দুটির ক্ষেত্রে পুরো প্যানেল নিয়েই আপত্তি রয়েছে। আর বাকি সাতটির মধ্যে প্যানেলের তিন নামের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমে যাঁকে রেখেছেন, তাতে সায় দিচ্ছেন না আনন্দ বোস। তাঁর পছন্দ দ্বিতীয় জনকে। একইভাবে বাকি আটটির ক্ষেত্রে পছন্দ তৃতীয়জনকে। অর্থাৎ, ১৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেছে নেওয়া উপাচার্যর নামে আপত্তি তুলেছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল। এমতাবস্থায় আলোচনার মাধ্যমে বিবাদ মেটানোর পক্ষেই পরামর্শ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। ১০ দিন পর ফের শুনানি। 

Advertisement

রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ মামলায় জট কাটাতে দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের সভাপতিত্বে একটি সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটি গড়ে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কমিটি নামের ‘আদ্যক্ষর’ অনুযায়ী প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য তিনজনের একটি করে প্যানেল তৈরি করে পাঠিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। তার থেকে মুখ্যমন্ত্রী ‘যোগ্যতা’র ক্রমানুসারে এক-দুই-তিন করে তিনজনের নাম পাঠান আচার্যর কাছে। কিন্তু সেখানেই ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে মতান্তর হচ্ছে বলেই সুপ্রিম কোর্টকে রিপোর্ট দিয়েছে কমিটি। এদিন শুনানিতে আচার্যর হয়ে সুপ্রিম কোর্টে ছিলেন দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি এবং জয়দীপ মজুমদার। রাজ্যের হয়ে অভিষেক মনু সিংভি। তাঁরা বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট যে ব্যবস্থা করে দিয়েছে, তা ভালোভাবেই কার্যকর হচ্ছে। তবে কয়েকটি ক্ষেত্রে সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। আশা করি দ্রুত মিটবে।’ অন্যদিকে, এই একই বেঞ্চে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুবীরেশ ভট্টাচার্যর জামিন সংক্রান্ত মামলার শুনানি থাকলেও, তা হয়নি। কারণ, কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা শুনেছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। তাই তিনি এখানে মামলা শুনতে পারেন না। তাই এই মামলার শুনানি পরে অন্য বেঞ্চে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ