নয়াদিল্লি: সামনেই পুজোর মরশুম শুরু হচ্ছে। এই অবস্থায় দু’হাজার টাকার উপর লেনদেনে ০.৪ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) বসানোর সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, এই চার্জ পুরোটাই ক্রেতাদের উপর চাপানোর চেষ্টা করবেন বিক্রেতারা। তাতে কেনাকাটা মার খাবে। এই অবস্থায় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্রেতাদের উপর যাতে এর ভার চাপানো না হয়, তা নিশ্চিত করতে নজরদারি চালানো হবে।
এ প্রসঙ্গে বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক আধিকারিক বলেন, ‘এমডিআর চালুর পথে যাতে কোনো ফাঁক না থাকে, তার চেষ্টা চালানো হবে। পেমেন্ট সংস্থার সঙ্গে সরকার বৈঠক করেছে। ক্রেতাদের উপর যাতে এমডিআরের দায়ভার চাপানো না হয়, তার উপর নজর রাখা হবে।’
সূত্রের খবর, সেবি, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে স্টক মার্কেটে লেনদেনের ক্ষেত্রে ০.২ শতাংশ এমডিআর বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোনো চাপে পড়ে ইউপিআই লেনদেনে চার্জ বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এটা পুরোপুরি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত। এমনকী ইউপিআই লেনদেনের উপর জিএসটি বসানো নিয়ে যে খবর চাউর হয়েছে তা গুজব ছাড়া কিছু নয়। সরকারের এক সূত্র জানিয়েছে, ‘জিএসটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জিএসটি কাউন্সিল। আমাদের মনে হয় না, এমডিআর বসানোর জেরে নগদ লেনদেন আবার বাড়বে। ১৫ অক্টোবর থেকে চালু হওয়ার পর ইউপিআই লেনদেন কমে যাবে বলেও মনে হয় না।’