


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকতা: সম্প্রতি নবান্নের দেওয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী কোন রাজ্য সরকারি কর্মচারী আইপিএস, আইএস বা ডব্লিউবিসিএস অফিসার সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে পারবেন না। কোনরকম তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবেন না। এমনকি বিনা অনুমতিতে অংশ নিতে পারবেন না কোনরকম আলোচনাসভাতেও। আর এই নির্দেশিকা নিয়ে এবার প্রতিবাদে সরব হলো বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষ বলেন, নতুন সরকার এই নির্দেশিকা জারি করে গণতন্ত্রের কণ্ঠ রোধ করছে।
তৃণমূল জামানায় ডিএ এর আন্দোলন নিয়ে পথে নেমেছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। কুনালের দাবী তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রের কথা ভেবে কড়া হাতে এই আইন প্রয়োগ করেন নি বলেই সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ তাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে পেরেছে। তৃণমূলের মুখপাত্রের প্রশ্ন বর্তমান সরকারের এই নির্দেশিকার পর কেন চুপ এই মঞ্চ।
কুনাল ঘোষের দাবী বর্তমান সরকার ভবিষ্যতে এমন কোন সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে যার বিরোধিতা করতে পারে সরকারি কর্মীরা। আর তা আটকাতেই এই ধরনের ফতোয়া জারি করা হয়েছে।
বিভিন্ন রেলস্টেশন বা সরকারি জায়গায় জবরদখল রুখতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। এর বিরুদ্ধেও এদিন সরব হল তৃণমূল কংগ্রেস। কুনাল ঘোষের দাবী পুনর্বাসন না দিয়ে এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চলতে পারেনা।
গতকাল বিধানসভায় বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। যে কর্মসূচিতে অনুপস্থিত ছিলেন বহু বিধায়ক। এই নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে কথা ওঠে। বিধায়কদের অনুপস্থিতি নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করলেন কুনাল। তার দাবি কারা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে থাকবে তা ঠিক করে দিয়েছিল দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বাকিরা নিজেদের এলাকায় কাজে ব্যস্ত ছিল।