Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গুলিতে জখম রিন্টুকে দেখতে হাসপাতালে সব দলের নেতারা

গুলিতে জখম রিন্টুকে দেখতে হাসপাতালে সব দলের নেতারা
  • ৬ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: শনিবার বিকেলে নওদার সর্বাঙ্গপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে জখম হন রিন্টু বিশ্বাস। বর্তমানে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রিন্টু। তাঁকে নিয়ে রবিবার দিনভর চলে দড়ি টানাটানি। সাত সকালেই মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাজির হন বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্র। কিছুক্ষণ পর কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরীও যান হাসপাতালে। তিনি জখম যুবকের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। দুপুরে যুবককে দেখতে আসে তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। তৃণমূলের নওদা ব্লক সভাপতি তথা জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সফিউজ্জামান শেখ ও নওদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মণ্ডল সহ অন্যান্যরা ওই যুবকের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জখম যুবকের বাবা এদিন দাবি করেছেন, দশ বছর ধরে তাঁরা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত।  
Advertisement
ঘটনার পর রবিবার সকাল থেকে সর্বাঙ্গপুর ছিল থমথমে। এলাকায় বসানো হয় পুলিস পিকেট। ঘটনায় অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিস। এক আধিকারিক বলেন, রবিবার দুপুর পর্যন্ত থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে ঘটনার তদন্ত চলছে। একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। 
অধীরবাবু এদিন হাসপতালে দাঁড়িয়ে বলেন, রাস্তা তো সকলের। কিন্তু তৃণমূল নেতারা যখন যাবে, তখন রাস্তা ফাঁকা করে দিতে হবে। তাদের অধিকার আমাদের সকলের থেকে বেশি। রাস্তা খালি করতে দেরি হয়েছে, তাই সঙ্গে সঙ্গে গুলি চলেছে। সকল পুলিসের কাছে আধুনিক অস্ত্র থাকে কিনা জানা নেই, কিন্তু তৃণমূল নেতাদের কাছে অস্ত্রের কমতি নেই। সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালিয়ে একজনকে জখম করে এরা কী বাহাদুরি দেখিয়েছে, আমার জানা নেই। 
তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সফিউজ্জামান শেখ বলেন, একটা দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। ওই যুবক এখন ভালো আছেন। চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলেছি আমরা। রোগী দ্রুত বাড়ি ফিরুক সেটাই চাই। কীভাবে এটা ঘটল বুঝতে পারেনি সে। এই ছেলেটি ওই ঘটনার স্বীকার হয়েছে। আমাদের পাশের পাড়ার মানুষ ও। কেউ তো এখানে আলাদা নয়। অধীরবাবুদের পায়ের তলায় মাটি নেই। তৃণমূলকে গালি দেওয়া ছাড়া কাজ নেই। জখম যুবকের পরিবার  আমাদের সঙ্গে সংযুক্ত। আমাদের দলের সঙ্গে বহু বছর ধরে যুক্ত আছেন ওর বাবা।
জখম যুবকের বাবা কৃষ্ণপদ বিশ্বাস বলেন, আমরা তৃণমূল করি। আমরা গতকাল প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে একটু আনন্দ করছিলাম। সেই সময়ে তৃণমূলের মিছিলের গাড়ি যাচ্ছিল। তখন একটু কথাকাটাকাটি হওয়ায় গুলি চলে। ছেলের গুলি লাগবে বুঝতে পারিনি। ও এখন ভালো আছে। দলের তরফে আমাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে সকলে। 
সম্পর্কিত সংবাদ