সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহের গাজোলের পান্ডুয়ায় ফিশ ফিড প্লান্টের পরিকাঠামোর কাজ কয়েকমাস আগে শেষ হয়েছে। সেখানে এখনও মাছের খাবার তৈরি শুরু হল না। এনিয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী মহলে অসন্তোষ ছড়িয়েছে।
Advertisement
বঙ্গীয় মৎস্য যোজনা এবং প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনায় স্থানীয় এক মহিলা উপভোক্তার আড়াই বিঘা জমিতে এই প্রকল্প গড়া হয়েছিল। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে কাজটি করতে মোট ৩০ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। তবে, সরকার কয়েক ধাপে ১৮ লক্ষ টাকা ভর্তুকি দিয়েছে উপভোক্তাকে। এই কেন্দ্র থেকে মাছের দু’রকম খাবার তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। একটি ভাসমান, অন্যটি ডুবে যাওয়া খাবার।
রাজস্থান থেকে কয়েকটি উন্নত মেশিন নিয়ে এসে আগেই প্লান্টে সেট করা হয়েছে। শৌচালয় নির্মাণ এবং অফিস ঘরের কাজ শেষ। প্রক্রিয়া শুরু হলে সেখান থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হবে দুই টন খাবার। সেগুলি বাজারে কম দামে বিক্রি করা হবে। যদিও এখনও মাছের খাবার তৈরি শুরু হয়নি। পুরাতন মালদহের মাছ ব্যবসায়ী গৌতম ঘোষ বলেন, আমাদের পুকুর রয়েছে। মাছকে খাবার দিতে হয়, যেগুলি ভেসে থাকে। শুনেছিলাম, এখানে প্লান্টে সেই খাবার তৈরি হবে। কিন্তু এখনও শুরু হয়নি। মালদহ জেলা মৎস্য দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, প্লান্ট পরিদর্শন করা হয়েছে। খাবার তৈরির প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রাজস্থান থেকে কয়েকটি উন্নত মেশিন নিয়ে এসে আগেই প্লান্টে সেট করা হয়েছে। শৌচালয় নির্মাণ এবং অফিস ঘরের কাজ শেষ। প্রক্রিয়া শুরু হলে সেখান থেকে প্রতিদিন উৎপাদন হবে দুই টন খাবার। সেগুলি বাজারে কম দামে বিক্রি করা হবে। যদিও এখনও মাছের খাবার তৈরি শুরু হয়নি। পুরাতন মালদহের মাছ ব্যবসায়ী গৌতম ঘোষ বলেন, আমাদের পুকুর রয়েছে। মাছকে খাবার দিতে হয়, যেগুলি ভেসে থাকে। শুনেছিলাম, এখানে প্লান্টে সেই খাবার তৈরি হবে। কিন্তু এখনও শুরু হয়নি। মালদহ জেলা মৎস্য দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, প্লান্ট পরিদর্শন করা হয়েছে। খাবার তৈরির প্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



