Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কিশোরীকে ধর্ষণ বান্ধবীর বাবার, ২৫ বছরের জেল

কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে নির্যাতিতার বান্ধবীর বাবাকে ২৫ বছর জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। শনিবার সাজা ঘোষণা করেন জলপাইগুড়ি বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক রিণ্টু শূর।

কিশোরীকে ধর্ষণ বান্ধবীর বাবার, ২৫ বছরের জেল
  • ২০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে নির্যাতিতার বান্ধবীর বাবাকে ২৫ বছর জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। শনিবার সাজা ঘোষণা করেন জলপাইগুড়ি বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক রিণ্টু শূর। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ৮ এপ্রিল জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। 

Advertisement

মামলায় সরকার পক্ষের আইনজীবী দেবাশিস দত্ত বলেন, ১৪ বছরের ওই কিশোরী তার বাড়ির কাছে এক বান্ধবীর বাড়িতে সন্ধ্যায় টিভি দেখতে গিয়েছিল। টিভি দেখে সে যখন ফিরছিল, তখন ওই বান্ধবীর বাবা বাড়ির কাছে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে ছিল। বছর পঞ্চাশের ওই ব্যক্তি কিশোরীর মুখ চেপে ধরে বাড়ির পিছনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার কথা যাতে কাউকে না বলে, সেজন্য কিশোরীকে ভয় দেখায় সে। পরবর্তীতে নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় বিষয়টি তার বাড়ির লোকজন জেনে যান। তখন সে বাবা-মাকে গোটা ঘটনা খুলে বলে।
সরকারপক্ষের আইনজীবী বলেন, মেয়েটির পরিবার প্রেগন্যান্সি কিট এনে পরীক্ষা করেন। তাতে দেখা যায়, ওই নাবালিকা তিনমাসের অন্তঃসত্ত্বা। তখন মেয়েকে চেপে ধরেন নাবালিকার মা। এতে বাধ্য হয়ে কিশোরী জানায়, ২০২৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে নটা নাগাদ বাড়ি ফেরার পথে বান্ধবীর বাবা তার সঙ্গে ওই কুকীর্তি করে। 
সরকারপক্ষের আইনজীবী বলেন, আইন মেনে মেয়েটির গর্ভের ভ্রূণ নষ্ট করা হয় এবং সেটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। পরে সেটি ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। রাজগঞ্জ থানায় পকসো আইনে ৬ ধারায় মামলা রুজু হতেই পুলিস ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় পুলিস। মামলায় ১২ জন সাক্ষ্য দেন। আদালতে জমা পড়া তথ্যপ্রমাণ ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এদিন বিচারক তাকে ২৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, সঙ্গে এক লক্ষ টাকা জরিমানা এবং নির্যাতিতা নাবালিকাকে পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ডিস্ট্রিক্ট লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটিকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ