সংবাদদাতা, লালবাগ: ঘুমন্ত অবস্থায় যুবককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ ঘিরে মুর্শিদাবাদ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশগোলা কুতুবপুরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম আলিম শেখ ওরফে সানি(২৮)। বুধবার সকালে ওই যুবকের ছুরিবিদ্ধ রক্তাক্ত দেহ ঘরের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। মৃত্যুর কারণ নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। পুলিস মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য লালবাগ মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
Advertisement
অতিরিক্ত পুলিস সুপার (লালবাগ) রাসপ্রিত সিং বলেন, মুর্শিদাবাদ পুরসভার বাঁশগোলা কুতুবপুর এলাকায় একটি বাড়ির মধ্যে থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এখন পর্যন্ত মৃতের পরিবারের থেকে কোনও মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ হয়নি। তবুও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশগোলা কুতুবপুরের বাসিন্দা আলিম শেখ ওরফে সানি পেশায় একজন টোটোচালক ছিলেন। বছর সাতেক আগে লালবাগ শহরের বাসিন্দা এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের একটি তিন বছরের কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগ, আলিম হেরোইনের নেশায় আসক্ত ছিল। প্রায়ই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে এসে স্ত্রীকে মারধর করত। এনিয়ে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। মঙ্গলবার রাতেও দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হয়। বুধবার সকালে ঘরের মধ্যে ওই যুবকের ছুরিবিদ্ধ রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। তাঁকে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের লোকজন ওই যুবককে নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রওনা দেয়। তবে মাঝপথ থেকেই বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিস বিষয়টি জানার পরেই ওই যুবককে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিস মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।
ওই যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। মৃতের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকালে স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে দেখেন পাশেই বিছানায় তাঁর স্বামী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তিনি চিৎকার করে পরিবারের লোকজনকে ডাকেন।
যুবকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের লোকজন স্পষ্টভাবে কিছু বলতে না চাইলেও প্রশ্ন উঠছে ভিতর থেকে বন্ধ ঘরের মধ্যে যুবককে তবে কে খুন করল? ঘরের মধ্যে মৃতের স্ত্রী ও তিন বছরের মেয়ে ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। প্রতিবেশীদের একাংশে বক্তব্য, সানি তাঁর স্ত্রীর উপর প্রতিদিন শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। ওইদিন রাতে সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী হয়তো কাণ্ডটি ঘটিয়েছে। বাচ্চাটির ভবিষ্যতের কথা ভেবেই পরিবারের লোকজন আসল ঘটনা চাপা দিতে চাইছে। পুলিস জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাঁশগোলা কুতুবপুরের বাসিন্দা আলিম শেখ ওরফে সানি পেশায় একজন টোটোচালক ছিলেন। বছর সাতেক আগে লালবাগ শহরের বাসিন্দা এক যুবতীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের একটি তিন বছরের কন্যাসন্তান রয়েছে। অভিযোগ, আলিম হেরোইনের নেশায় আসক্ত ছিল। প্রায়ই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে এসে স্ত্রীকে মারধর করত। এনিয়ে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকত। মঙ্গলবার রাতেও দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হয়। বুধবার সকালে ঘরের মধ্যে ওই যুবকের ছুরিবিদ্ধ রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন। তাঁকে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরিবারের লোকজন ওই যুবককে নিয়ে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রওনা দেয়। তবে মাঝপথ থেকেই বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে মুর্শিদাবাদ থানার পুলিস বিষয়টি জানার পরেই ওই যুবককে লালবাগ মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসে। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিস মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে।
ওই যুবকের মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। মৃতের পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকালে স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে দেখেন পাশেই বিছানায় তাঁর স্বামী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। তিনি চিৎকার করে পরিবারের লোকজনকে ডাকেন।
যুবকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের লোকজন স্পষ্টভাবে কিছু বলতে না চাইলেও প্রশ্ন উঠছে ভিতর থেকে বন্ধ ঘরের মধ্যে যুবককে তবে কে খুন করল? ঘরের মধ্যে মৃতের স্ত্রী ও তিন বছরের মেয়ে ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। প্রতিবেশীদের একাংশে বক্তব্য, সানি তাঁর স্ত্রীর উপর প্রতিদিন শারীরিক নির্যাতন চালাতেন। ওইদিন রাতে সহ্য করতে না পেরে স্ত্রী হয়তো কাণ্ডটি ঘটিয়েছে। বাচ্চাটির ভবিষ্যতের কথা ভেবেই পরিবারের লোকজন আসল ঘটনা চাপা দিতে চাইছে। পুলিস জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



