নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: উত্তরের হিমেল হাওয়া প্রবেশ করতেই কনকনে শীতে কাবু গৌড়বঙ্গ। রবিবার সকাল থেকেই প্রবল কুয়াশা। বেলা বাড়লেও রোদ ও কুয়াশার লুকোচুরি চলছিল মালদহ ও দুই দিনাজপুরে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: উত্তরের হিমেল হাওয়া প্রবেশ করতেই কনকনে শীতে কাবু গৌড়বঙ্গ। রবিবার সকাল থেকেই প্রবল কুয়াশা। বেলা বাড়লেও রোদ ও কুয়াশার লুকোচুরি চলছিল মালদহ ও দুই দিনাজপুরে।
সিকিম আবহাওয়া দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তরের হাওয়া ঢুকতেই দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় এক ধাক্কায় পারদ নেমেছে ৩ ডিগ্রি। সাতদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাঘুরি করবে। গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৭ ও সর্বনিম্ন ১০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে, উত্তরের হাওয়া বইতে থাকায় সেটাই ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি অনুভব হচ্ছে। বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা না থাকায় চিন্তায় পড়েছেন চাষিরা।
রায়গঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪.৩ সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মালদহের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.১ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। মালদহ, রায়গঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ঘন কুয়াশার কারণে ৫০ মিটার দূরত্বে দৃশ্যমানতা কম থাকবে। গত কয়েকদিন ধরে অনেকটা দেরি করে সূর্যের দেখা মিলছে। ফলে দিনের বেলাতেও কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে বিভিন্ন এলাকা।
বালুরঘাটের মাঝিয়ান কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ সুমন সূত্রধর বলেন, জেলায় গত দশ বছর ধরে ডিসেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হাড়কাঁপানো শীত থাকে। গৌড়বঙ্গে উত্তরের হিমেল হাওয়া না ঢুকলে শীতের তীব্রতা বাড়ে না। এবার এক ধাক্কায় দক্ষিণ দিনাজপুরে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে দেখা গিয়েছে।
এদিকে দেদার শীতের পোশাক বিক্রি শুরু হয়েছে। কাশ্মীর থেকে এসে জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্টল দিয়ে ব্ল্যাঙ্কেট বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। গঙ্গারামপুরের বস্ত্র ব্যবসায়ী রাহুল আগরওয়াল বলেন, হঠাৎ শীত পড়ে যাওয়ায় শীতবস্ত্র কেনার ভিড় বেড়েছে। আশা করছি ভালো ব্যবসা হবে।