Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বন্ধ করা হল ২ ড্যামের গেট, আখনুরে চন্দ্রভাগার জলস্তর কমে গোড়ালি সমান

পহেলগাঁও হামলার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জলচুক্তি বাতিলের কথা ঘোষণা করেছে ভারত। সেই আবহেই এবার বাগলিহার ও সালাল ড্যামের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে রিপোর্ট।

বন্ধ করা হল ২ ড্যামের গেট, আখনুরে  চন্দ্রভাগার জলস্তর কমে গোড়ালি সমান
  • ৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ফিরদৌস হাসান, আখনুর: পহেলগাঁও হামলার প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধু জলচুক্তি বাতিলের কথা ঘোষণা করেছে ভারত। সেই আবহেই এবার বাগলিহার ও সালাল ড্যামের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে রিপোর্ট। তার জেরে আখনুর অঞ্চলে চন্দ্রভাগা নদীর জলস্তর উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে। স্থানীয় মানুষের মতে, সিন্ধু চুক্তি বাতিলের ফলেই পাকিস্তানগামী নদীর জল আটকে দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাচ্ছেন তাঁরা।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দা মায়াঙ্ক সিং বলেন, নদীতে আগে ২৫ থেকে ৩০ ফুট জল থাকত। সেই জলস্তরই এখন কমে মাত্র দেড় থেকে দু’ফুটে দাঁড়িয়েছে। আমরা মনে করি, একবিন্দু জলও পাকিস্তানে যাওয়া উচিত নয়। ভারতীয় সেনা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ৭৫ বছর বয়সি প্রবীণ পূরাণ সিং বলেন, 
চন্দ্রভাগার এই অবস্থা জীবনে কখনও দেখিনি। কঠোর পদক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আমরা সেনাবাহিনীর পাশে আছি।
চন্দ্রভাগার জলস্তর দুম করে এতটা কমে যাওয়ায় বহু উৎসাহী মানুষ নদীতে নামতে শুরু করেন। শুরু হয় ভিডিও রেকর্ড করা। গোড়ালি সমান জল পেরিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হেঁটেই নদী পারাপার করতে দেখা যায়। জল কমে যাওয়ায় অনেকে আবার নদীতে সোনা ও রুপোর গয়না এবং কয়েন খুঁজতে শুরু করেন। বিপদের আশঙ্কায় পুলিসের তরফে স্থানীয়দের নদীতে নামতে নিষেধ করা হয়। পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের মাধ্যমে পুলিস স্থানীয় মানুষকে সতর্ক করতে শুরু করে। বলা হয়, কেউ যেন হেঁটে নদী পারাপারের চেষ্টা না করেন। লাগোয়া এলাকায় বৃষ্টির ফলে নদীতে আচমকা জলস্তর বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘটনাচক্রে, দুপুরের পর জলস্তর ফের বাড়তে শুরু করে বলেও খবর।
রিপোর্ট অনুযায়ী, বাগলিহার ও সালাল ড্যামের গেট বন্ধের আগে জলধারণ ক্ষমতা বাড়াতে সেখানে পলি পরিষ্কারের কাজ চলেছে। এনএইচপিসি সেই কাজ করেছে বলে খবর। এবার জম্মু ও কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা ছ’টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজে গতি আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে খবর। এই প্রকল্পগুলির কাজ শেষ হলে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ