Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলপাইগুড়িতে নোটিশ না দিয়ে জোর করে পাতা হচ্ছে গ্যাসের পাইপলাইন, থানার দ্বারস্থ কৃষকরা

নোটিশ না দিয়ে,ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে আলোচনা ছাড়াই জোর করে প্রভাব খাটিয়ে পাতা হচ্ছে গ্যাসের পাইপ। এর ফলে নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল।

জলপাইগুড়িতে নোটিশ না দিয়ে জোর করে পাতা হচ্ছে গ্যাসের পাইপলাইন, থানার দ্বারস্থ কৃষকরা
  • ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: নোটিশ না দিয়ে,ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে আলোচনা ছাড়াই জোর করে প্রভাব খাটিয়ে পাতা হচ্ছে গ্যাসের পাইপ। এর ফলে নষ্ট হচ্ছে জমির ফসল। বাধা দিলে হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। রবিবার এনিয়ে জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানার দ্বারস্থ হন পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের পাতকাটা ও গোমস্তাপাড়ার কৃষকদের একাংশ। তাঁদের হয়ে ধ্রুব রায় নামে এক কৃষক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এদিকে, বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তথা দলের আইনজীবী সেলের সদস্য সৌজিৎ সিংহ ওই কৃষকদের নিয়ে থানায় হাজির হয়েছিলেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

Advertisement

জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর পঞ্চায়েত এলাকায় গ্যাসের পাইপ লাইন পাতার কাজ করছে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ সংস্থা নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড বা এনআরএল। এর আগে ওই এলাকা দিয়ে গ্যাস অথরিটি অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (গেইল) পাইপ নিয়ে গিয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, গেইল যখন তাঁদের জমির নীচে দিয়ে পাইপ নিয়ে যায়, তখন তাঁরা ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন। কিন্তু এখন এনআরএল ফের জমির নীচে দিয়ে পাইপ লাইন পাতার কাজ শুরু করলেও তাঁদের নোটিশ দেওয়া হয়নি। এমনকী তাঁরা কতটা কী ক্ষতিপূরণ পাবেন, তা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে এনআরএলের এই প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সুব্রত সরকার বলেন, গত তিন বছর ধরে বাসিন্দাদের সঙ্গে এনিয়ে দফায় দফায় আলোচনা হয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গেও বহুবার মিটিং হয়েছে। যেসব কৃষকের জমির নীচে দিয়ে পাইপ যাবে, ফসলের ক্ষতিপূরণ হিসেবে টাকার অঙ্কও অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। আগে যেখানে এক ডেসিমেল জমির জন্য ৯ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ছিল, এখন তা বাড়িয়ে ২৮ হাজার টাকা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ‘গেইল কাজ করার আগেই ২০২০ সালে জমির ‘রাইট টু ইউজ’ নেওয়া হয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে কৃষক ও বাসিন্দারা ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন।’ হুমকি দেওয়া এবং জোর করে কৃষকের জমিতে পাইপ পাতার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে বলে দাবি তাঁর। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ