Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বোল্লা মায়ের আগমনে ভালো ব্যবসার আশায় গঙ্গারামপুরের দই ব্যবসায়ীরা

বোল্লা মায়ের আগমনে গঙ্গারামপুরের দই ব্যবসায়ীদের মুখে চওড়া হাসি।

বোল্লা মায়ের আগমনে ভালো ব্যবসার আশায় গঙ্গারামপুরের দই ব্যবসায়ীরা
  • ৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বোল্লা মায়ের আগমনে গঙ্গারামপুরের দই ব্যবসায়ীদের মুখে চওড়া হাসি। সারাবছর গঙ্গারামপুর চৌপথির দই ব্যবসায়ীরা দোকানে বসে যা ব্যবসা করেন, তার তিনগুণ ব্যবসা করেন বোল্লা কালী পুজোয়। পুজো ও মেলার চারদিন নাওয়া-খাওয়া ভুলে দই প্রস্তুত করে দোকান সাজিয়ে তুলেছেন গঙ্গারামপুরের ব্যবসায়ীরা। 

Advertisement

শুক্র থেকে সোমবার- এই চারদিন ২৪ ঘণ্টা দোকান খোলা রাখেন ব্যবসায়ীরা। দই কিনতে ক্রেতাদের ধুম পড়ে যায়। শুক্রবার থেকে বহু মানুষ গঙ্গারামপুরের বিখ্যাত দই কিনলেন। তৃপ্তি সহকারে খাওয়ার পাশাপাশি বাড়ির জন্যও কিনলেন।  গঙ্গারামপুরের নয়াবাজারের দই ব্যবসায়ীরা জানান, এবার চার প্রকারের দই তৈরি করা হয়েছে- চন্দ্রচূড়, ক্ষীরখাসা, সাধারণ ও স্পেশাল ক্ষীর দই। 
উত্তরবঙ্গ ছাড়িয়ে গঙ্গারামপুরের ক্ষীর দইয়ের সুনাম রয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। বোল্লা মেলা উপলক্ষ্যে গঙ্গারামপুরের দইয়ের বিক্রি বেড়ে যায়। এবারও আশায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা জানান, ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে দই বিক্রি হচ্ছে। দই ব্যবসায়ী প্রভাত ঘোষের কথায়, সারাবছর দোকানে বসে যা ব্যবসা হয় না, তার তিনগুণ ব্যবসা হয় বোল্লা মেলা উপলক্ষ্যে। চারদিনে প্রায় ২০০ কুইন্টাল দুধের দই তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন প্রভাত।
দোকানে এদিন দই কিনতে আসেন জলপাইগুড়ির পবিত্রা গুহ। তিনি বলেন, গঙ্গারামপুরের দইয়ের অনেক নাম শুনেছি। শিলিগুড়ি থেকে বেশ কয়েকবার কিনেছি। এবার যেহেতু গঙ্গারামপুর এসেছি, তাই এখান থেকে দই কিনলাম।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ