Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মানিকচকে বিপদসীমা ছাড়াল গঙ্গা, একদিনে ২৮ সেমি বাড়ল জলস্তর! গোপালপুরে ফের ৫০ মিটার এলাকায় ভাঙন শুরু

পাড়ের বাসিন্দাদের ঘুম কাড়ছে গঙ্গা! মানিকচকে বিপদসীমা ছাড়াল গঙ্গা। একদিনে প্রায় ২৮ সেন্টিমিটার বাড়ল গঙ্গার জলস্তর। গত দু’সপ্তাহে এনিয়ে দ্বিতীয়বার বিপদসীমা পার করল গঙ্গা নদী।

মানিকচকে বিপদসীমা ছাড়াল গঙ্গা, একদিনে ২৮ সেমি বাড়ল জলস্তর!  গোপালপুরে ফের ৫০ মিটার এলাকায় ভাঙন শুরু
  • ৫ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: পাড়ের বাসিন্দাদের ঘুম কাড়ছে গঙ্গা! মানিকচকে বিপদসীমা ছাড়াল গঙ্গা। একদিনে প্রায় ২৮ সেন্টিমিটার বাড়ল গঙ্গার জলস্তর। গত দু’সপ্তাহে এনিয়ে দ্বিতীয়বার বিপদসীমা পার করল গঙ্গা নদী। যেভাবে প্রতিনিয়ত বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে শীঘ্রই চরম বিপদসীমা ছাড়াতে পারে এই নদী। আতঙ্কে ঘুম উড়েছে ভূতনি ও গোপালপুরের বাসিন্দাদের। এদিকে, গোপালপুরের কামালতিপুর জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৫০ মিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে সেচদপ্তর। গোপালপুরের বাসিন্দদের আশ্বস্ত করেছেন মালদহ জেলা সেচদপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার শিবনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, গোপালপুরে ভাঙন রোধের জন্য বালির বস্তা ও বাঁশের খাঁচার মাধ্যমে কাজ চলছে। গঙ্গার জলস্তর বেড়েছে। আগামী কয়েকদিন আরও বাড়বে জলস্তর।
মালদহ জেলাজুড়ে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। এর জেরে বাড়ছে গঙ্গার জলস্তর। গত দু’দিনে প্রায় ৫২ সেন্টিমিটার জলস্তর বেড়ে বিপদসীমা ছাড়িয়েছে গঙ্গা। খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাওয়ায় চিন্তিত গঙ্গার পাড়ের মানুষ। আগামী কয়েক দিনে গঙ্গা চরম বিপদসীমাও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।
জলস্তর বাড়তেই ভূতনি ও গোপালপুরের অসংরক্ষিত এলাকায় বসবাসকারীরা বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসন ত্রাণ, জল ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা না করায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। ভূতনির কালুটোনটোলার বধূ ফেকিয়া চৌধুরী বলেন, বাড়িতে গঙ্গার জল ঢুকেছে। তাই ভূতনি রিং বাঁধে উঠে এসেছি। প্রশাসন শুধু ত্রিপল, উনুন ও বাসন দিলেও খাবারের কোনও ব্যবস্থা করেনি। বিদ্যুতের ব্যবস্থাও নেই। একবেলা মাত্র খাবারের জল দেওয়া হয়। শিশুদের নিয়ে কীভাবে থাকব। এদিকে গঙ্গার জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে জল ঢুকেছে মানিকচকের রামনগর, জোতপাট্টা সহ বেশকিছু অসংরক্ষিত এলাকায়।
গোপালপুরের কামালতিপুর গ্রামে বালির বস্তার মাধ্যমে জল রোখার কাজ শুরু করেছে সেচদপ্তর। সেখানে বর্তমানে ভাঙন না হলেও তার ঠিক পাশেই চলছে ভাঙন। মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় প্রায় ৫০ মিটার এলাকা ভাঙনের কবলে। স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ শরিফ আনসারি বলেন, ভাঙন রোধে কী কাজ হচ্ছে, কিছুই বুঝতে পারছি না। কাজ করার কিছুদিনের মধ্যে বস্তা নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। কাজ নিয়ে অভিযোগ করলে হুমকি দেওয়া হয়। আমরা কোথায় যাব? 

Advertisement

- নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ