নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: কেদারনাথের মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি করেছে ঝাড়গ্রাম শহরের লোকাল বোর্ড গণেশপূজা কমিটি। বুধবার ধুমধাম করে ১৮তম বর্ষের পুজোর উদ্বোধন করা হয়। সেখানে পুরসভার চেয়ারপার্সন কবিতা ঘোষ, কাউন্সিলার নবু গোয়ালা উপস্থিত ছিলেন। জেলার অন্যতম বড় এই গণেশপুজোয় দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঝাড়গ্রাম শহরের ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যতম কেন্দ্র লোকাল বোর্ড এলাকা। প্রতিদিন এখানে বহু মানুষের সমাগম হয়। এখানেই লক্ষাধিক টাকা বাজেটে গণেশপুজো আয়োজিত হচ্ছে। কেদারনাথের মন্দিরের আদলে তৈরি মণ্ডপে সিদ্ধিদাতা গণেশের বিশাল মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত মণ্ডপে গণেশমূর্তি থাকবে।প্রায় দুই দশক আগে স্থানীয় শুভেন্দু রায়, চন্দন সোনার, ঝুলন রায়, বাপি রায়, দেবাংশু পাল, ভবানন্দ গড়াই, সমরজিৎ ঘোষরা এই গণেশপুজো শুরু করেছিলেন। প্রথমদিকে ছোট মণ্ডপ গড়ে অনাড়ম্বরভাবে পুজো হতো। এখন এটি জেলার সবচেয়ে বড় গণেশপুজোয় পরিণত হয়েছে। প্রতিবছরের মতো এবারও পুজোয় থিমের চমক রয়েছে। উদ্যোক্তারা জানালেন, হিমালয়ের পাদদেশে বারবার প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেমে আসছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে মানুষ মুক্ত থাকুন, সেই প্রার্থনা করে কেদারনাথ মন্দিরের আদলে মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। পুজো কমিটির সহ-সম্পাদক শুভেন্দু রায় বলেন, সিদ্ধিদাতা গণেশের পুজো শুভকাজের সূচনার প্রতীক। যুবক বয়সে কয়েকজন বন্ধু মিলে এই পুজোর সূচনা করেছিলাম। দেখতে দেখতে সেই পুজো ১৮তম বর্ষে পা দিল। পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ দেবাংশু পাল বলেন, আমাদের পুজো দেখতে অগণিত মানুষ আসছেন। কয়েকহাজার মানুষকে খিচুড়ি বিতরণ করা হবে। পুরপ্রধান কবিতা ঘোষ বলেন, স্থানীয় মহিলারা এই পুজোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকেন। পুজোর আয়োজনে আমরা বড় ভূমিকা নিই।-নিজস্ব চিত্র



