সংবাদদাতা, মানকর: দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের গলসির সার্ভিস রোড। রাস্তায় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি অবিলম্বে মেরামত করা হোক গর্ত। না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে। জাতীয় সড়কের পাশে সার্ভিস রোডে রয়েছে গলসি বাসস্ট্যান্ড। সার্ভিস রোড ধরে এগিয়ে গেলে গলসি স্টেশন যাওয়ার মোড়। স্থানীয়দের দাবি, বাসস্ট্যান্ডে প্রতিদিন কয়েকশো বাস চলাচল করে। সার্ভিস রোড দিয়ে লরি, প্রাইভেট গাড়ি সহ অন্যান্য প্রচুর যানবাহন চলে। রাস্তায় গর্ত চালকরা অনেক সময়েই বুঝতে পারেন না। ফলে মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনায় পড়েন তাঁরা।
গলসি বাজারের উপর গলিগ্রাম, শিল্যা, বাকতা, বেলান সহ একাধিক গ্রামের বাসিন্দারা নির্ভর করেন। বাজারে সারাদিন ভিড় লেগেই থাকে। অফিসের সময় ভিড় আরও বাড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজারে সবসময় ভিড় থাকে। পথচারী থেকে স্কুল পড়ুয়াদের যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য পুলিস প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুটপাত ও রাস্তার উপরে বসা ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নজরদারি ঢিলে হতেই এখন ফুটপাত জুড়ে সাইকেল, মোটরবাইক, টোটো রাখা থাকছে। ফলে পথচারীদের সমস্যা হচ্ছে। বাজার করতে আসা শেখ নয়ন বলেন, একদিকে ফুটপাত দখল অন্যদিকে সার্ভিস রোড বেহাল। আমাদের সমস্যা হচ্ছে। দ্রুতগতিতে আসা গাড়ি গর্ত দেখে কোনওরকমে সামলে নিচ্ছে। তবে যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, প্রতিনিয়ত ব্যবসার কাজে বহু মানুষ এই রাস্তায় যাতায়াত করে। গলসির বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা এখানে বাস ধরতে আসেন। তাছাড়া এলাকায় উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় রয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে বহু পড়ুয়া ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে যায়। রাস্তায় গর্তের যা আকার বাইকের চাকা পড়লে আরোহী উল্টে পড়বেন। রাস্তা খারাপ হওয়ার জন্য দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে?
স্থানীয় বাসিন্দা তথা শিক্ষক ফিরোজ আলি কাঞ্চন বলেন, অবিলম্বে রাস্তা সংস্কার করা প্রয়োজন। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের এক আধিকারিক জানান, বর্ষার জন্য কাজে সমস্যা হচ্ছে। জাতীয় সড়কে সংস্কারের কাজ চলছে। সার্ভিস রোডের কাজও দ্রুত হবে।