Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোচবিহারে ফল চাষে জোর ছ’লক্ষাধিক চারা বিলির টার্গেট

ফল উৎপাদন বাড়ানো ও পুষ্টি সুরক্ষায় জোর দিতে বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিভাগ।

কোচবিহারে ফল চাষে জোর ছ’লক্ষাধিক চারা বিলির টার্গেট
  • ২১ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: ফল উৎপাদন বাড়ানো ও পুষ্টি সুরক্ষায় জোর দিতে বড়সড় পদক্ষেপ নিয়েছে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন বিভাগ। এবার কোচবিহার জেলায় লাগানো হবে ছ’লক্ষাধিক ফলের চারা। ইতিমধ্যেই জেলাজুড়ে ফল চাষিদের কাছ থেকে আবেদনপত্র গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী চাষিরা নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে আবেদন জানাচ্ছেন। 

Advertisement

সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে খবর, আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই চারা বিতরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। কোচবিহার জেলার ৬ লক্ষ ২২ হাজার ৭০০টি ফলের চারা বিলির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তার মধ্যে মেখলিগঞ্জ মহকুমায় বিলি করা হবে ১ লক্ষ ২৪ হাজার চারা। মেখলিগঞ্জ মহকুমার উদ্যানপালন আধিকারিক সন্দীপ মহন্ত বলেন, এই প্রকল্পে আম, কাঁঠাল, লিচু, মালটা, ড্রাগন ফল, সজনে, কলা সহ মোট ১৩টি প্রজাতির ফলের চারা বিতরণ করা হবে। বাগান সম্প্রসারণ, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধিই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। ফলের চারা বিতরণের কাজ আরও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন ফার্মার্স প্রোডিউসার কোম্পানিকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করা হয়েছে। 
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত কয়েক বছরে জেলায় ফলের বাগানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ফল চাষে আগ্রহ কমায় এবং আবহাওয়াজনিত কারণে অনেক পুরনো বাগান অচল হয়ে পড়েছে। সেই ঘাটতি পূরণ এবং চাষিদের ফল চাষে উৎসাহ দিতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 
চাষিরা এই প্রকল্পে নতুন করে আশা দেখছেন। কারণ, বাজারে ফলের দাম ভালো এবং একবার চারা রোপণের পর দীর্ঘমেয়াদি আয় নিশ্চিত করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফলচাষ কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে। জেলা প্রশাসন ও উদ্যান পালন দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে যদি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়, তাহলে আগামী কয়েক বছরে কোচবিহার জেলাকে রাজ্যের অন্যতম ফল উৎপাদনকারী জেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ