Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাহাড় থেকে দক্ষিণবঙ্গ, বনধে সচল রইল জনজীবন

কেন্দ্রের শ্রমকোড বাতিল-সহ একাধিক দাবিতে বুধবার ২৪ ঘণ্টা বনধের ডাক দিয়েছিল বামেরা। কিন্তু দেখা গেল কার্যত সচলই রইল জনজীবন।

পাহাড় থেকে দক্ষিণবঙ্গ, বনধে সচল রইল জনজীবন
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ১৭:০৭
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রের শ্রমকোড বাতিল-সহ একাধিক দাবিতে বুধবার ২৪ ঘণ্টা বনধের ডাক দিয়েছিল বামেরা। কিন্তু দেখা গেল কার্যত সচলই রইল জনজীবন। রাস্তায় রইল সরকারি বাস, খুলল দোকানপাট, কাজ হল অফিস কাছারিতেও।

Advertisement

বুধবার ভোর ৬টার পর থেকেই প্রাথমিক ভাবে বাম কর্মীদের লক্ষ্যবস্তু হয়ে ওঠে বাস ও ট্রেন। একাধিক জায়গায় ট্রেন আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তবে প্রায় সবকটি জায়গাতেই রেল পুলিস সেই উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে। পরে একাধিক জেলার বিভিন্ন শহরে বাস আটকানোর প্রচেষ্টা করে বাম কর্মীরা। যার জেরে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।

কিন্তু, কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশিরভাগ জায়গায় পরিবহণ সচল হয়। সকাল থেকেই আরামবাগ, বহরমপুর, রায়গঞ্জে বাস চলতে শুরু করে। দেখা যায়নি বিক্ষোভকারীদের। এছাড়াও, দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে বনধের কোনও প্রভাব সেই অর্থে ছিল না। অন্যদিকে, স্বাভাবিক ছন্দে ছিল আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির চা বাগানও। কয়েকটি চা বাগানে জোর করে কাজ বন্ধ করার চেষ্টা হলেও, তাতে সাড়ে মেলেনি। এছাড়াও, মেদিনীপুরের মতো শহরের বনধের কোনও ছাপ পরিলক্ষিত হয়নি।

অন্যদিকে, কলকাতাতেও বনধের চিত্রটা ফিকেই। শহরে চলছে প্রচুর পরিমাণে সরকারি ও বেসরকারি বাস। বারাকপুরে সকালে রেল অবরোধের চেষ্টা করা হলেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রেন সচল হয়। একই ছবি উলুবেড়িয়াতেও। সেখানেও ট্রেন আটকানোর চেষ্টা করে হালে পানি পায়নি বনধ সমর্থকেরা। ফলে সাময়িক বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া বামেদের বনধের চিহ্ন রাজ্যে কার্যত পড়েনি বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের।    

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ