Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জেলা পরিষদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, ধৃত

জেলা পরিষদের বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগে ঢোলাহাট থানা এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল বারুইপুর থানার পুলিস। ধৃতের নাম কালী মোল্লা মীর।

জেলা পরিষদের কাজ পাইয়ে  দেওয়ার নামে প্রতারণা, ধৃত
  • ২০ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বারুইপুর: জেলা পরিষদের বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগে ঢোলাহাট থানা এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল বারুইপুর থানার পুলিস। ধৃতের নাম কালী মোল্লা মীর। অভিযোগ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ঠিকাদার ও অর্ডার সাপ্লায়ারদের ফোন করত সে। বলত, কাজ পেয়ে যাবেন, তবে তার জন্য কিছু টাকা খরচ করতে হবে। এভাবে কারও থেকে ২০ হাজার, কারও থেকে ৩০ হাজার টাকা তুলেছে। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে বারুইপুর থানার পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

Advertisement

পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত নিজের নামে নয়, পলাশ দাস নামে নকল আধার কার্ড বানিয়ে ফোনের সিম তুলেছিল। সেই নম্বর থেকেই ফোন করে টাকা চাইত সে। কালী মোল্লা এভাবে কত টাকা তুলেছে, তা পুলিস তদন্ত করে দেখছে। পাশাপাশি এই ষড়যন্ত্রে আর কারা জড়িত, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিস।
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্রের নাম ভাঙিয়ে মল্লিকপুর পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন লোকের কাছে ফোন আসে। বলা হয়, জেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পে ঠিকাদারি থেকে শুরু করে অর্ডার সাপ্লাইয়ের কাজ সে পাইয়ে দিতে পারবে। এর জন্য কিছু খরচ করতে হবে। টাকার অঙ্ক ককত, তাও জানিয়ে দেয় সে। বিষয়টি কোনওভাবে জয়ন্তবাবুর কানে যায়। তিনি ওই ফোন নম্বর উল্লেখ করে গত ১৩ জুন বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিস অভিযুক্তকে পাকড়াও করে। এ প্রসঙ্গে জয়ন্ত ভদ্র বলেন, আমি টাকা চাওয়ার বিষয়টি জানা মাত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনকে জানাই। তারপর থানায় অভিযোগ করি। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করায় পুলিসকে ধন্যবাদ। এর সঙ্গে যারা জড়িত, আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক পুলিস।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ