মেঙ্গালুরু: ৫০০ কোটির লোন। রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগে আকর্ষণীয় লাভ। এমনই টোপ দেখিয়ে চলত প্রতারণা। বৃহস্পতিবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে মেঙ্গালুরুর পুলিস। ধৃত রোহন সালদানহার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকা আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।
মেঙ্গালুরু: ৫০০ কোটির লোন। রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগে আকর্ষণীয় লাভ। এমনই টোপ দেখিয়ে চলত প্রতারণা। বৃহস্পতিবার রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে মেঙ্গালুরুর পুলিস। ধৃত রোহন সালদানহার বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকা আর্থিক জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহন প্রথমে বুঝে নিতে কার কী চাহিদা এবং ক্ষমতা। এরপর নতুন ব্যবসা বা বিনিয়োগের লোভ দেখাত। টাকার জোগাড় করে দেবে সে নিজেই, এমনই আশ্বাস দিত রোহন। দাবি করত সহজেই ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত লোনের ব্যবস্থা করতে পারে সে। তবে এর জন্য প্রসেসিং ফি হিসেবে ৪০-৫০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। অনেকে বিশ্বাস করে সেই টাকা দিয়েও দিতেন। যারা বিশ্বাস করতেন না তাঁদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যেত রোহন। প্রাসাদসম সেই বাড়ি। ভিতরে রয়েছে আধুনিক সব ব্যবস্থা। দামি বিদেশি মদের কাউন্টার থেকে ঝাঁ চকচকে ঘর, সবকিছু। ভিতরে এমন একাধিক ঘর রয়েছে যার ভিতর ঢোকাই যায় না। এছাড়া চোরাদরজা, বাইরে বেরোনোর গোপন পথ, সবই রয়েছে এই বাড়িতে। এসব দেখে যে কেউ বিশ্বাস করে নিত রোহনের ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু পুরোটাই ফাঁদ। একবার টাকা পেলেই সবরকম যোগাযোগ ছিন্ন করত সে। এমনকী বাড়িতে গিয়েও তার খোঁজ মিলত না। এভাবেই কাউকে লোন পাইয়ে দেওয়া, কাউকে রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগের টোপ দেখিয়ে, কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে রোহন। পুলিসের অনুমান, গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে আছেন রোহনের শিকাররা।