Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

চাঁচল-১ ব্লকের খরবা পঞ্চায়েতে একদিনে তিনটি প্রকল্পের শিলান্যাস

চাঁচল-১ ব্লকের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতে একই দিনে তিনটি প্রকল্পের শিলান্যাসে খুশির আবহ তৈরি হল। শুক্রবার মালদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে পানীয় জলের দু’টি সাব মার্সিবল প্রকল্প ও একটি কংক্রিটের রাস্তার কাজের  শিলান্যাস হয়েছে।

চাঁচল-১ ব্লকের খরবা পঞ্চায়েতে একদিনে তিনটি প্রকল্পের শিলান্যাস
  • ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

উজির আলি , চাঁচল:
চাঁচল-১ ব্লকের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতে একই দিনে তিনটি প্রকল্পের শিলান্যাসে খুশির আবহ তৈরি হল। শুক্রবার মালদহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে পানীয় জলের দু’টি সাব মার্সিবল প্রকল্প ও একটি কংক্রিটের রাস্তার কাজের  শিলান্যাস হয়েছে। কাজের সূচনা করেন মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন খরবা পঞ্চায়েতের প্রধান রেহেনা খাতুন, উপপ্রধান মলয় বসাক, পঞ্চায়েত সদস্য রকি চৌধুরী, জুলি খাতুন, চাঁচল-১ পঞ্চায়েত সমিতির স্থানীয় সদস্যের প্রতিনিধি শামস তাবরেজ সহ এলাকার  বাসিন্দারা। 
খরবা পঞ্চায়েতের পাঁচরাক্ষা ও শ্রীপতিপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই পানীয় জলের  সংকট চলছিল। বিশেষ করে শুখা মরশুমে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়। গভীর নলকূপ বিকল হলে দূরদূরান্ত থেকে পানীয় জল সরবরাহ করতে হয়। সংকট মেটাতে গ্রামবাসীরা একাধিকবার জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি জানান। অবশেষে সেই দাবি মেনে নিজের সংসদীয় এলাকায় ১৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দু’টি সাব মার্সিবল পাম্প বসানোর উদ্যোগ নিলেন জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি রফিকুল হোসেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাহাবাজপুরে শতাধিক পরিবারের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের একমাত্র মাটির রাস্তা বেহাল। বর্ষার সময় কাদা ও জল জমে রাস্তা দিয়ে চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। স্কুলপড়ুয়া থেকে শুরু করে বিশেষ করে বয়স্কদের  দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সমস্যা দূর করতে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৬০০ মিটার রাস্তা কংক্রিটের করার কাজ শুরু হচ্ছে। এদিন সহকারী সভাধিপতি নিজেই সেই কাজের শিলান্যাস করেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা মহম্মদ রেজাউল করিম বলেন, রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষায় কাদায় চলাচল করা মুশকিল হয়ে পড়ে। বয়স্করা তো বাড়ি থেকে কার্যত বের হতে পারেন না। খুশির বিষয়, সেই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিচ্ছে জেলা পরিষদ। খরবা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মলয় বসাক বলেন, অনেক সময় অর্থাভাবে পঞ্চায়েতের তরফে কাজ করা অসম্ভব হয়। তখন জেলা পরিষদের সাহায্য নেওয়া হয়। গত দু’বছরে জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুই কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে আমার পঞ্চায়েত এলাকায়। মালদহ জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন বলেন, আমরা রং বা দল দেখে কাজ করি না। শ্রীপতিপুরে কংগ্রেসের বুথেও পানীয় জলের প্রকল্পের শিলান্যাস করলাম। আগামীদিনে আমার সংসদের কলিগ্রাম, খরবা ও অলিহোন্ডা পঞ্চায়েত এলাকায় আরও একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। 

Advertisement

- প্রকল্পের সূচনা করছেন মালদহ জেলাপরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। শুক্রবার খরবায় তোলা নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ