Bartaman Logo
২৯ জুলাই, ২০২৬
Advertisement
বর্তমান / রাজ্য

সারের ঘাটতি মেটাতে বরাদ্দ বাড়ানোর আশ্বাস কৃষিমন্ত্রীর

চাহিদার তুলনায় সারের পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় রাজ্যজুড়ে সারের কালোবাজারির রমরমা দেখা যাচ্ছে

সারের ঘাটতি মেটাতে বরাদ্দ বাড়ানোর আশ্বাস কৃষিমন্ত্রীর
  • ২৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: চাহিদার তুলনায় সারের পর্যাপ্ত জোগান না থাকায় রাজ্যজুড়ে সারের কালোবাজারির রমরমা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার মল্লারপুরে আয়োজিত একটি সার কোম্পানির আলোচনা সভায় এমনই তথ্য উঠে এল। সেখানে জেলার প্রায় ১০০টি সমবায়ের প্রতিনিধির পাশাপাশি রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement

সভায় বক্তারা জানান, বাজারে সারের সুষম বণ্টন এবং পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সহজেই কালোবাজারি রোধ করা সম্ভব। সাধারণত রাজ্যগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সারের বরাদ্দের আবেদন জানায়। অভিযোগ, গত চার-পাঁচবছর ধরে দেশের অন্য রাজ্য সারের জোগান বাড়ানোর আর্জি জানালেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে তা করা হয়নি। ফলে মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এদিনের সভা থেকে মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করা হয়, ঘাটতি মেটাতে কেন্দ্রের কাছে তাড়াতাড়ি দরবার করে সারের বরাদ্দ বাড়ানো হোক।
কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল সংস্থার সমস্ত সুপারিশ মনোযোগ দিয়ে শোনেন। সারের বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমল থেকে বাংলা যে দুর্নীতির জালে জড়িয়ে পড়েছে, তা থেকে রাজ্যকে বের করে আনাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে সমবায় সমিতিগুলির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেক সমবায়ে নির্বাচন আটকে রয়েছে। ফলে সেগুলি দুর্নীতির আঁতুড়ে পরিণত হয়েছে। তাড়াতাড়ি নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্যদের দায়িত্ব দিয়ে সমবায়ের সঙ্গে চাষিদের যোগাযোগ সুদৃঢ় করার আশ্বাস দেন তিনি।
কৃষিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার সারে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে। কিন্তু তবু চাষিদের চড়া দামে সার কিনতে হচ্ছে। তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, দেশের সমস্ত জিনিস এমআরপিতে বিক্রি হলেও সারের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম ঘটছে। আমরা একমাস আগেই সার উৎপাদনকারী সংস্থা, ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলার ও রিটেলারদের নিয়ে বৈঠক করেছি। সেখানে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সারের সঙ্গে অন্য পণ্যের ‘ট্যাগিং’ যেন না করা হয়। রিটেলারদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, ডিলারদের বাড়তি টাকা না দিলে তাঁরা সার পান না। ফলে সেই বাড়তি খরচের বোঝা চাষিদের ঘাড়েই চাপাতে হয়। এবিষয়ে সরকার কড়া নজর রাখছে। কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষায় তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ