Bartaman Logo
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নদী ভাঙনের আতঙ্কে এই বাংলার পদ্মাপাড়ের মানুষ

নদীর গর্জন ও ভয়াল রূপে কার্যত ঘুম উড়েছে মুর্শিদাবাদের লালগোলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে। রবিবার গভীর রাত থেকে লালগোলার তারানগরে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।

নদী ভাঙনের আতঙ্কে এই বাংলার পদ্মাপাড়ের মানুষ
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মুর্শিদাবাদ ও মালদা: নদীর গর্জন ও ভয়াল রূপে কার্যত ঘুম উড়েছে মুর্শিদাবাদের লালগোলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে। রবিবার গভীর রাত থেকে লালগোলার তারানগরে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। বেশ কয়েকটি বাড়ির দোরগোড়ায় এসে ফুঁসছে পদ্মা। ভাঙনে বাড়ির টিউবওয়েল, শৌচাগার নদী গর্ভে চলে গিয়েছে। বেশ কিছু পরিবার রাত থেকেই জিনিসপত্র অন্যত্র নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যেতে শুরু করেছেন। এর আগে রাধাকৃষ্ণপুরের দাসপাড়ায় একাধিক বাড়ি, দোকান ভাঙনে নদী গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে। নদী ভাঙনের জেরে সর্বস্বান্ত হওয়ার আশঙ্কায় এখন দিন কাটছে তারানগরের বাসিন্দাদের।  

Advertisement

অন্যদিকে নদী ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটছে মালদাবাসীর। সম্প্রতি ভাঙনের ভয়াবহ ছবি ধরা পড়েছিল এই জেলার রতুয়ার মুনিরামটোলা অঞ্চলে। এলাকার ১৫০ বছরের পুরনো শিবমন্দির তলিয়ে যায় গঙ্গায়। গঙ্গার ভাঙনে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংরেজবাজার ব্লকের মিল্কির খাসকোল গ্রাম। তলিয়ে যাচ্ছে একের পর এক গ্রাম। এবার একই রকম আতঙ্ক মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে। 

অন্যদিকে বানভাসি ভূতনিতে জল নামতে শুরু করলেও গঙ্গা এখনও চরম বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। তবে জলস্তর নেমেছে ফুলহার ও মহানন্দা নদীতে। মালদহের ভূতনি ভাসলেও ইংলিশবাজার শহরে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে। বার্ষিক গড় বৃষ্টির চেয়ে এখনও পর্যন্ত ৫০০ মিলিমিটার কম বৃষ্টিপাত হয়েছে ইংলিশবাজার শহরে। বার্ষিক গড় বৃষ্টি এই লোকায় হওয়ার কথা ১৫৬১.১০ মিলিমিটার। সেখানে এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ১০৭৫.৯০ মিলিমিটার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ