Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দইঘাটেও নয়া শ্মশানের শিলান্যাস, নবরূপে সিরিটি মহাশ্মশানের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রতীক্ষালয়। মন্দিরের পাশে নবনির্মিত পুকুর। তাতে গঙ্গার জল এনে ফেলা হয়েছে। সেখানে অস্থি বিসর্জন দিতে পারবেন মৃতের পরিজনরা।

দইঘাটেও নয়া শ্মশানের শিলান্যাস, নবরূপে সিরিটি মহাশ্মশানের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রতীক্ষালয়। মন্দিরের পাশে নবনির্মিত পুকুর। তাতে গঙ্গার জল এনে ফেলা হয়েছে। সেখানে অস্থি বিসর্জন দিতে পারবেন মৃতের পরিজনরা। শ্মশানেই তৈরি হয়েছে সবুজ উদ্যান। সেখানে বিশ্রাম নিতে পারবেন মৃতদেহ নিয়ে আসা লোকজন। সব মিলিয়ে নব কলেবরে প্রস্তুত সিরিটি মহাশ্মশান। মঙ্গলবার, নবান্ন সভাঘর থেকে ভার্চুয়ালি এই শ্মশানের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছরের মে মাস থেকে বৈদ্যুতিক কাজের জন্য এই শ্মশান পুরোপুরি বন্ধ ছিল। এদিন বিকেল ৪টে থেকে ফের তা চালু হয়েছে।

Advertisement

সংস্কার কাজের উদ্যোগ নিয়েছিল কলকাতা পুরসভা। শ্মশান সাজিয়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল নিকাশি বিভাগের মেয়র পারিষদ তারক সিংয়ের উপর। তিনি বলেন, ঋতুপর্ণ ঘোষকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সিরিটি শ্মশানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই রাতেই মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, বদলাতে হবে সিরিটি মহাশ্মশানের হাল। তৎপর হয় পুরসভা। তারক সিং বলেন, ‘রাজ্য সরকারের আর্থিক সহযোগিতায় শ্মশান সংলগ্ন প্রায় ১৪ কাঠা জমি কেনা হয়েছে। খরচ পড়েছে প্রায় দু’কোটি টাকা।’ জানা গিয়েছে, শ্মশান সংস্কারে সব মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে সাড়ে আট কোটি টাকা। এই শ্মশানে এতদিন বিদ্যুতের দু’টি চুল্লি ছিল। এবার আরও দু’টি চালু হল। এছাড়াও একটি পরিবেশবান্ধব কাঠের চুল্লি করা হয়েছে। শ্মশান বন্ধুদের প্রতীক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত প্রতীক্ষালয়। শ্মশান চত্বরে গড়া হয়েছে মন্দির এবং কাফেটেরিয়া। তৈরি হয়েছে পুকুর। সেখানে গঙ্গার জল এনে ফেলা হয়েছে। আগামী দিনে আদি গঙ্গা পরিষ্কার হলে সেখানকার জল যাতে এই পুকুরে নিয়ে আসা যায়, সেই ব্যবস্থাও করা হবে। শ্মশান ও সংলগ্ন এলাকায় যাতে সহজে গাড়ি চলাচল করতে পারে, তার জন্য টালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে শ্মশানগামী রাস্তার বিভিন্ন অংশ চওড়া করা হয়েছে। অনেক জায়গায় ছোট দোকান বা অস্থায়ী দোকান ছিল, সেখান থেকে দখলদারদের সরানো হয়েছে। তারপর নতুন করে তৈরি হয়েছে রাস্তা। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ২৭ জানুয়ারি এই সিরিটি শ্মশানের সংস্কার কাজের সূচনা হয়েছিল। পাক্কা দু’বছর পর উদ্বোধন হল। যেহেতু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এই কাজের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাই তাঁকেই উদ্বোধনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী নবরূপে নির্মিত সিরিটি শ্মশানের পাশাপাশি ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে একটি নতুন শ্মশান তৈরির কাজেরও সূচনা করেন। শিলান্যাস হওয়া সেই নতুন শ্মশানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোক্ষধাম’। নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ