Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ, অভিযুক্ত প্রাক্তন ইউজিসি কর্তা সহ ৩৬ জন

জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে বিভিন্ন বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের পরিদর্শন, লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম চলত

বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ, অভিযুক্ত প্রাক্তন ইউজিসি কর্তা সহ ৩৬ জন
  • ৫ জুলাই, ২০২৫ ১৫:০৭
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: স্বাস্থ্য-শিক্ষায় ফের বড়সড় দুর্নীতি ফাঁস করল সিবিআই। জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে বিভিন্ন বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের পরিদর্শন, লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম চলত। পরিদর্শনের আগেই ঘুষের বিনিময়ে গোপন নথি পাচার করা হতো। গোটা কাণ্ডের নেপথ্যে ছিল এক বিশাল র‍্যাকেট। ঘটনায় প্রাক্তন ইউজিসি কর্তা ডি পি সিং সহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। তদন্ত চলছে।

Advertisement

স্বাস্থ্য-শিক্ষায় দুর্নীতি নতুন কিছু নয়। এর আগে নিটে জালিয়াতি নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। এবার সামনে এল মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতির ছবি। মূলত বেসরকারি কলেজগুলির বিরুদ্ধে জালিয়াতির অংশ হওয়ার অভিযোগ উঠছে। জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রকের আধিকারিকরা গোপন তথ্য ফাঁস থেকে ঘুষ নেওয়ার মতো একাধিক কাজে মদত দিতেন। টাকার বিনিময় আগেভাগেই জানিয়ে দেওয়া হতো কোথায়, কখন পরিদর্শনে হবে। সেই মতো ব্যবস্থা করে রাখত কলেজ কর্তৃপক্ষ। কোনওভাবেই এমন কিছু সামনে আনা হতো না, যা সমস্যার কারণ হতে পারে। ভুয়ো শিক্ষক থেকে ভুয়ো রোগী-সবকিছুর ব্যবস্থা থাকত। হাজিরার জন্য বায়োমেট্রিক সিস্টেমে পর্যন্ত পরিবর্তন করা হতো। সবকিছু এমনভাবেই সাজানো হতো যে দেখে ভুল বোঝার কোনও উপায় নেই। সরকারের সুনজরে থাকতেই এই বিশেষ নাটক সাজানো হতো। তাতে প্রয়োজনীয় অনুদান পেতেও বিশেষ সুবিধা হতো। ঘটনায় প্রাক্তন ইউজিসির চেয়ারম্যান ডি পি সিং সহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক ও ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশনের আধিকারিক এবং বেসরকারি কলেজের প্রতিনিধিরা। উত্তর থেকে দক্ষিণ-দেশজুড়ে এই র‍্যাকেটের দৌরাত্ম্য ছিল বলেই অভিযোগ। মোটা টাকার লেনদেন চলত মেডিক্যাল কলেজগুলিকে অবৈধভাবে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য। সামনে এসেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের একাধিক আধিকারিকের নাম। যার মধ্যে অন্যতম গুরুগ্রামের বীরেন্দ্র কুমার। মেডিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড রেটিং বোর্ডের সদস্য জিতু লাল মিনার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বীরেন্দ্র। জানা গিয়েছে, হাওলার মাধ্যমে মিনাকে ঘুষ পাঠাতেন অভিযুক্ত। ঘুষ বাবদ পাওয়া ৭৫ লক্ষ টাকা দিয়ে রাজস্থানে মন্দির পর্যন্ত নির্মাণ করা হয় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, দক্ষিণ ভারতে যাবতীয় কারবার চালাতেন অন্ধ্রপ্রদেশের বি হরি প্রসাদ। সঙ্গে ছিলেন অঙ্কম রামবাবু ও কৃষ্ণ কিশোর।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ