Bartaman Logo
২ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

তিক্ত স্মৃতি ভোলাই লক্ষ্য ফোরলানের

বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা। কনভয়ের হুটার বাজিয়ে উরুগুয়ের টিমবাস এসে দাঁড়াল যুবভারতীর এক নম্বর ট্রেনিং গ্রাউন্ডের সামনে।

তিক্ত স্মৃতি ভোলাই লক্ষ্য ফোরলানের
  • ২ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অম্বরীশ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা: বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা। কনভয়ের হুটার বাজিয়ে উরুগুয়ের টিমবাস এসে দাঁড়াল যুবভারতীর এক নম্বর ট্রেনিং গ্রাউন্ডের সামনে। বাস থেকে নামতেই একবার ঘাড় ঘুরিয়ে স্টেডিয়ামের দিকে তাকালেন ডিয়েগো ফোরলান। সেই দৃষ্টিতে কি ফিরে এল ২০১৬-র স্মৃতি? মনে মনে কি কোনও শপথ নিলেন উরুগুয়ের কোচ? কে জানে! তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, কলকাতার সঙ্গে ফোরলানের সম্পর্কটা শুধুই ফুটবলের নয়। এই শহর তাঁকে যেমন আপন করে নিয়েছে, তেমনই দিয়েছে তিক্ত স্মৃতিও।

Advertisement

২০১৬ সালে আইএসএলে মুম্বই সিটি এফসি’র হয়ে খেলতে এসেছিলেন ২০১০ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলজয়ী। ৬ গোল করে দলকে তুলেছিলেন সেমি-ফাইনালে। শেষ চারের অ্যাওয়ে ম্যাচে এটিকে’র বিরুদ্ধে রবীন্দ্র সরোবর স্টেডিয়ামে নেমেছিল মুম্বই। ২-৩ ব্যবধানে ম্যাচ হেরেছিল তারা। মুম্বইয়ের দলের দু’টি গোলেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ফোরলানের। কিন্তু ৭৪ মিনিটে মার্চিং অর্ডার পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সেই অভিশপ্ত রাত কি এখনও মনে আছে উরুগুয়ের বর্তমান কোচের? হয়তো আছে। আর সেই কারণেই আগামী মঙ্গলবার যুবভারতীতে ভারতকে হারিয়ে পুরনো ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে হয়তো কলকাতায় হাজির ফোরলান।
২২ জনের দল নিয়ে ভারত সফরে এসেছে উরুগুয়ে। স্কোয়াডে ১৭ জন ফুটবলারই খেলেছেন ২০২৬ বিশ্বকাপে। সফরের শুরুতেই দক্ষিণ কোরিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিয়েছে তারা। এবার সামনে খালিদ ব্রিগেড। ভারতের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে বুধবাই কলকাতায় পৌঁছেছে উরুগুয়ে দল। পানামার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচের পারফরম্যান্সের যাবতীয় তথ্য ইতিমধ্যেই নোটবুকে তুলে নিয়েছেন ফোরলান। এবার সেই তথ্যের ভিত্তিতেই স্ট্র্যাটেজি সাজানোর পালা।
বৃহস্পতিবার অনুশীলনে অবশ্য শুরু থেকেই বেশ সক্রিয় ছিলেন উরুগুয়ের কোচ। গোলরক্ষক ফেরিমারিন ও সান্তিয়াগো আগেই মাঠে চলে এসেছিলেন। দু’নম্বর ট্রেনিং গ্রাউন্ডে তাঁরাই গা ঘামাতে শুরু করে দেন। পরে গোটা দলকে নিয়ে মাঠে নামেন ফোরলান। অনুশীলন শুরুর আগে সহকারীকে সঙ্গে নিয়ে গোটা মাঠ ঘুরে দেখেন উরুগুয়ে কোচ। ঘড়ির কাঁটা তখন ৫টা ১২ মিনিট। মাঠে নামে দল। শুরু হয় রন্ডো প্র্যাকটিস। মাতিয়াস ভিনিয়া, ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাহুরা প্রথমে হালকা অনুশীলনে নিজেদের প্রস্তুত করে নেন। এরপর দু’টি দলে ভাগ হয়ে চলে পাসিং ড্রিল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ