Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কৃষ্ণনগরে গড়ে ওঠা ফুড হাব সরতীর্থ পরিত্যক্ত, সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা

বাংলার মিষ্টির সুনাম রয়েছে বিশ্বজুড়ে। এখানকার মিষ্টির স্বাদ ও বৈচিত্র্য অতুলনীয়। সারা বাংলাজুড়ে বিভিন্ন ধরনের বিখ্যাত সব মিষ্টি রয়েছে।

কৃষ্ণনগরে গড়ে ওঠা ফুড হাব সরতীর্থ পরিত্যক্ত, সমস্যায় পড়েছেন ব্যবসায়ীরা
  • ১৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর: বাংলার মিষ্টির সুনাম রয়েছে বিশ্বজুড়ে। এখানকার মিষ্টির স্বাদ ও বৈচিত্র্য অতুলনীয়। সারা বাংলাজুড়ে বিভিন্ন ধরনের বিখ্যাত সব মিষ্টি রয়েছে। সেই মিষ্টিকে ভালোভাবে ব্র্যান্ডিং করার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিভিন্ন জায়গায় ফুড হাব করা হয়। ২০১৭ সালে কৃষ্ণনগরে প্রায় ২ কোটি অর্থামূল্যে গড়ে তোলা হয় সরতীর্থ। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল, কৃষ্ণনগরের বিখ্যাত মিষ্টি সরপুরিয়া ও সরভাজাকে ব্র্যান্ড করা এবং তার প্রসার ঘটানো।

Advertisement

কিন্তু বর্তমানে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন পিডব্লুউডি মোড়ের কাছে সেই সরতীর্থ গেটে তালা ঝোলানো অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। উদ্দেশ্য ছিল সরতীর্থগুলির মাধ্যমে কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ব্যবসায়ীদের ব্যবসার প্রসার ঘটানো। স্থানীয় অর্থনীতির বৃদ্ধি ঘটানো, কর্মসংস্থান করা। পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা। বর্তমানে মূল প্রবেশ দ্বার সহ বিল্ডিংয়ের চারিদিকে জঙ্গল এবং আগাছাতে ভর্তি হয়ে গিয়েছে।
কৃষ্ণনগরের ফুড হাব ‘সরতীর্থ’ শুধু খাদ্যের কেন্দ্র নয়, স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির পরিচয়ও বহন করার জায়গাও বটে। কৃষ্ণনগরের জনপ্রিয় মিষ্টিকে খুব সহজেই আরও বিরাটভাবে প্রসার করা যেত। কিন্ত এতবড় সরকারি উদ্যোগ সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ আর পরিকল্পনার অভাবে হঠাৎ থমকে গেল। প্রশাসনের উচিত, দ্রুত পরিকল্পনা করে পুনরায় এটিকে চালু করা।
স্থানীয়রা বলেন, সরকার এত টাকা খরচ করে যে ফুড হাব করল, সেটা এত তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার মানে পরিকল্পনার অভাব। এটাতে সাধারণ মানুষের টাকাই নষ্ট হল। এখন দীর্ঘ সময় ধরে জায়গাটা জঞ্জালে ভর্তি অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় এক মিষ্টি ব্যবসায়ী শঙ্কর রায় বলেন, সরকার যথেষ্ট ভালো উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা না থাকলে কোনও কিছুই সঠিকভাবে হয় না। এই ফুড হাব একদম জাতীয় সড়কের ধারে, এটি যদি আজ চালু থাকত, খুব সহজেই আমাদের শহরের বিখ্যাত মিষ্টিগুলি বাইরের শহরের মানুষের কাছে কিংবা অন্য রাজ্যে পৌঁছে যেত। সরকার ইচ্ছা করলেই পুনরায় এটি চালু করতেই পারে।
স্থানীয় চা দোকানদার কিরণ সিং বলেন, ফুড হাব চালু থাকলে আমাদের মতো ছোট ছোট দোকানগুলিতেও মানুষ আসে। কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, বিষয়টি আমরা নজর দিচ্ছি। যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। • নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ