সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নতুন বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কোচবিহার-কলকাতার মধ্যে বিমান পরিষেবা। ফলে জেলার ব্যবসায়ী মহল উদ্বিগ্ন। বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলে পর্যটন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রভাব পড়বে। তাই বিমান পরিষেবা চালু রাখতে মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রের অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রীকে দাবিপত্র পাঠাল কোচবিহার জেলা ব্যবসায়ী সমিতি। শুক্রবার ই-মেল করে তাদের ওই দাবিপত্র পাঠানো হয়।
২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের উড়ান প্রকল্পের অধীনে শুরু হয়েছিল নয় আসনের বিমান পরিষেবা। কিন্তু হঠাৎই পরিচালনা সম্পর্কিত ইস্যু দেখিয়ে তিন বছরের চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত উড়ান সংস্থা। কিছুদিন আগেই ওই সংস্থার তরফে কোচবিহার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে মেল মারফত সেই নোটিশ পাঠানো হয়। এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবে হতাশ কোচবিহারের ব্যবসায়ী মহল।
এর আগেও কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে কলকাতার বিমান পরিষেবা চালু হয়ে অজ্ঞাতকারণে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। শেষে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পের মাধ্যমে পরিষেবা শুরু হয়। গুজরাতের একটি বেসরকারি বিমান সংস্থা নয় আসনের একটি উড়ান চালু করে। সরকারি ভর্তুকিতে চলছিল ওই পরিষেবা।
এ বিষয়ে কোচবিহার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুরজকুমার ঘোষ বলেন, দীর্ঘদিন কোচবিহার-কলকাতা বিমান পরিষেবা বন্ধ থাকার পর ২০২৩ সালে পরিষেবা চালু হয়েছিল। সেইটাও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিমান পরিষেবা বন্ধ হয়ে গেলে পর্যটন সহ জেলার ব্যবসায়ী মহলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। বিমান পরিষেবা চালু রাখতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে দাবিপত্র পাঠানো হল। আমরা চাই, এই পরিষেবা যাতে বন্ধ হয়ে না যায়।