লখনউ, ৫ মে: অগ্নিকাণ্ডের জেরে তিন কন্যা ও বাবা-মা সহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যু হল। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, রবিবার রাতে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের ছামাগঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলে। সূত্রের খবর, ওই বহুতলটির নীচে বেশ কিছু দোকানও ছিল। আগুনটি প্রথমে লাগে ওই বহুতলের নীচে থাকা একটি জুতোর দোকানে।
তারপরেই ১৫ মিনিটের মধ্যে গোটা বিল্ডিংয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এমনটাই জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। খবর দেওয়া হয় দমকলে। সঙ্গে সঙ্গেই অকুস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও পুলিস। ওই বিল্ডিংয়ের তৃতীয় ও চতুর্থ তলে আটকে থাকা আবাসিকদের উদ্ধার করেন দমকলের কর্মীরা। মোট ২০জনকে উদ্ধার করা হয় গতকাল, রবিবার রাতেই। পুলিসের দাবি, ওই বহুতলের পাঁচতলায় আটকে ছিলেন একই পরিবারের পাঁচজন সদস্য। কিন্তু শত চেষ্টা করেও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি দমকলের কর্মীরা।
পুলিস জানিয়েছে, পাঁচতলায় আগুনের তীব্রতা বেশি ছিল। সঙ্গে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল সবকটি ঘর। তাই উদ্ধার করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ছিলেন দমকলের কর্মীরা। এমনকী ওই এলাকাটি ঘিঞ্জি হওয়ায় আগুন নেভাতেও বেগ পেতে হচ্ছিল দমকলকে। তবে বেশ কয়েকঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আজ, সোমবার ভোরবেলা পাঁচজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিস। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে মৃতদেহগুলি। দমকলের প্রাথমিক অনুমান, গ্রাউন্ড ফ্লোরে থাকা ওই জুতোর দোকানে শর্ট সার্কিটের জেরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।