Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রতুয়ার মহানন্দাটোলায় গঙ্গার ভাঙনে আতঙ্কে পাঁচশো পরিবার

শতাব্দী প্রাচীন কালী মন্দির থেকে মাত্র ১০ ফুট দূরে চলে এসছে গঙ্গা নদী। এমন ভয়াবহ ভাঙনে দিশেহারা মালদহের রতুয়া-১ ব্লকের মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্রীকান্তটোলা, জিতুটোলা ও মুনিরামটোলার কয়েকশো পরিবার।

রতুয়ার মহানন্দাটোলায় গঙ্গার ভাঙনে আতঙ্কে পাঁচশো পরিবার
  • ২৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, চাঁচল: শতাব্দী প্রাচীন কালী মন্দির থেকে মাত্র ১০ ফুট দূরে চলে এসছে গঙ্গা নদী। এমন ভয়াবহ ভাঙনে দিশেহারা মালদহের রতুয়া-১ ব্লকের মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্রীকান্তটোলা, জিতুটোলা ও মুনিরামটোলার কয়েকশো পরিবার। কৃষিজমি থেকে শুরু করে পাকা ঘরবাড়ি চোখের সামনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ভাঙনের তীব্রতা আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আতঙ্কে চোখের জল ফেলে ভেঙে ফেলছেন পাকা বাড়ি। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন উঁচু জায়গায়। আবার কেউ প্রশাসনের অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরে ঠাঁই নিয়েছেন। প্রশাসনের তরফে চলছে রান্না করা খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা। তবে, অনেক দুর্গত পরিবার সেই খাবার খেতে রাজি নন। 

Advertisement

দুর্গত প্রণব মণ্ডল বলেন, নিজের হাতে বাড়ি ভেঙে ফেলতে হল। চোখে জল নিয়ে ত্রাণের খাবার খাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু চাই স্থায়ী ঠিকানা। সরকার আমাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করুক। একই দাবি জিতুটোলার মনোজ স্বর্ণকারেরও। তিনি বলেন, ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। নদী থেকে মাত্র ১০ ফুট দূরে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন কালীমন্দির। ভাঙন না থামলে মন্দিরটি দু’দিনের মধ্যে বিলীন হয়ে যাবে। ষাটোর্ধ্ব হরিশ মণ্ডল মুখ ভার করে বললেন, ঘর ছেড়ে এখন যেন যাযাবরের জীবন কাটাচ্ছি। সরকার আমাদের স্থায়ী ঠিকানা দিক। 
চাঁচলের মহকুমা শাসক শৌভিক মুখোপাধ্যায় বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকায় কয়েকটি স্কুলে রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে। অনেককে চাহিদামতো শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। পুনর্বাসনের বিষয়টি প্রশাসনের তরফে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ