প্যারিস: মহাকাশে কৃত্রিম সূর্যগ্রহণ সৃষ্টি করে এবং সেই গ্রহণের ছবি তুলে তাক লাগাল ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)। সম্প্রতি সেসব ছবি প্যারিস এয়ার শো-তে প্রকাশ করেছে ইএসএ। ছবিগুলিতে সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল বা করোনার অভূতপূর্ব ছটা ধরা পড়েছে।
প্যারিস: মহাকাশে কৃত্রিম সূর্যগ্রহণ সৃষ্টি করে এবং সেই গ্রহণের ছবি তুলে তাক লাগাল ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি (ইএসএ)। সম্প্রতি সেসব ছবি প্যারিস এয়ার শো-তে প্রকাশ করেছে ইএসএ। ছবিগুলিতে সূর্যের বাইরের বায়ুমণ্ডল বা করোনার অভূতপূর্ব ছটা ধরা পড়েছে।
প্রোবা-৩ মিশনের মাধ্যমে এই অসাধ্য সাধন করেছে ইএসএ। এই মিশনের মুখ্য গবেষক আন্দ্রেই ঝুকভ জানিয়েছেন, প্রোবা-৩ মিশনের দু’টি স্যাটেলাইট— করোনাগ্রাফ এবং অকাল্টার নিখুঁতভাবে ১৫০ মিটার দূরত্বে একত্রে অবস্থান করে এই কৃত্রিম সূর্যগ্রহণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। অকাল্টারে থাকা ১.৪ মিটার ব্যাসের একটি ডিস্ক সূর্যের উজ্জ্বল অংশকে আড়াল করার পর করোনাগ্রাফ সূর্যের করোনার ছবি তুলেছে। এই ছবিগুলি ভবিষ্যতে সূর্যের করোনার নিকটতম অংশের পর্যবেক্ষণ ও গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আন্দ্রেইয়ের কথায়, ‘আমাদের কৃত্রিম গ্রহণের ছবিগুলি প্রাকৃতিক সূর্যগ্রহণের সমতুল। এই মিশন সৌর বায়ুমণ্ডল এবং করোনাল মাস ইজেকশন (সিএমই) নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা ও গবেষণায় যুগান্তকারী দিক উন্মোচিত করবে। কারণ, সূর্যের এই দু’টি জিনিসই পৃথিবীতে চৌম্বকীয় ঝড় সৃষ্টি করে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারতের সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে পিএসএলভি রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেয় প্রোবা-৩। মাত্র দু’বছর আয়ুর এই মিশন প্রায় ১,০০০ ঘণ্টার করোনার ডেটা পৃথিবীতে পাঠাবে।