Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জেলায় জেলায় গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র খুঁজুন, ভোট বৈতরণী পেরোতে বিজেপি কর্মীদের হোমটাস্ক মোদি-শাহদের

ভোট বৈতরণী পার হতে বিজেপি নেতাদের জেলায় জেলায় গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র খোঁজার ‘হোমটাস্ক’ দিলেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতারা।

জেলায় জেলায় গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র খুঁজুন, ভোট বৈতরণী পেরোতে বিজেপি কর্মীদের হোমটাস্ক মোদি-শাহদের
  • ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুখেন্দু পাল, বর্ধমান: ভোট বৈতরণী পার হতে বিজেপি নেতাদের জেলায় জেলায় গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র খোঁজার ‘হোমটাস্ক’ দিলেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতারা। নির্বাচনে তাঁরা এই বিষয়টিকে ইস্যু করতে চাইছেন। গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র কোনও এলাকায় না থাকলে সেই ইনপুট নিয়ে নেতারা বক্তব্য রাখবেন। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সব জেলার নেতার কাছেই ২১টি বিষয়ে তথ্য জোগাড় করার নির্দেশ এসেছে। জেলায় কতগুলি ভ্যাট বা ময়লা ফেলার জায়গা রয়েছে সেই তথ্য দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, পুকুর সংস্কার, প্রতীক্ষালয়, অডিটোরিয়াম, পথবাতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে জানতে বলা হয়েছে। স্পেশাল নোট দিয়ে বলা হয়েছে, সঠিক তথ্য এবং ঠিকানা দিয়ে বিষয়গুলি পাঠাতে বলা হয়েছে। এর আগে জেলার নেতারা একাধিক বিষয়ে ভুল তথ্য দিয়ে মোদি, অমিত শাহদের বিপাকে ফেলেছিলেন। সেই কারণে এবার সঠিক তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্মীয় বিভাজনের পাশাপাশি অনুন্নয়নকেও নেতারা হাতিয়ার করতে চাইছেন। সেই কারণেই কোথায় কী কাজ হয়েছে, সেই তথ্য দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। রাজ্য বা স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখার সময় সেই বিষয়গুলি তুলে ধরবেন। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, বিজেপি নেতারা হন্যে হয়ে খুঁজলেও অনুন্নয়ন দেখতে পাবেন না। শুনলাম, ওঁরা নাকি গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র খুঁজতে বের হচ্ছেন। আমাদের সরকারের আমলে সব থেকে বেশি চিকিৎসাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। এছাড়া, ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের মাধ্যমেও গবাদি পশুর চিকিৎসা করা হয়। বিশেষ পদ্ধতিতে বকনা বাছুরের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যে দুধ উৎপাদন রেকর্ডভাবে বেড়েছে। তাই ইচ্ছে থাকলেও বিজেপি ইস্যু করতে পারবে না।

বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, কী উন্নয়ন হয়েছে, তা গ্রামে ঘুরলেই বোঝা যাবে। প্রতি বছর রাস্তা সংস্কারের জন্য টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। কিন্তু রাস্তা আর সংস্কার হয় না। গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্রও সব জায়গায় নেই। এই সমস্ত অনুন্নয়নের বিষয়গুলি ইস্যু তো হবেই।

বিজেপি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ‘গো-মাতা’ প্রতিবারই কোনও না কোনওভাবে গেরুয়া শিবিরের কাছে প্রচারের ইস্যু হয়ে ওঠে। গত নির্বাচনে তারা গোরু পাচার নিয়ে সবথেকে বেশি সরব হয়েছিল। তা খুব বেশি কাজে আসেনি। এবার গবাদি পশুর চিকিৎসা ব্যবস্থা বা অন্য কোনও বিষয়কে তারা সামনে রাখতে চাইছে বলে দলের অনেকে মনে করছেন। সেই কারণে বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি গবাদি পশুর চিকিৎসাকেন্দ্র খোঁজার টাস্ক জেলার নেতাদের দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে তাঁরা এখন হন্যে হয়ে সেই চিকিৎসা কেন্দ্রগুলি খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ