Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ডাবল লাইনের জন্য আর্থিক অনুমোদন, খুশি নিত্যযাত্রীরা

বনগাঁ-রানাঘাট শাখার রেল যাত্রীদের জন্য খুশির খবর। আগামী এক বছরের মধ্যে এই শাখায় তৈরি হবে ডাবল লাইন। ইতিমধ্যে রেল মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ৩৯৬ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ডাবল লাইনের জন্য আর্থিক অনুমোদন, খুশি নিত্যযাত্রীরা
  • ৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:১০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: বনগাঁ-রানাঘাট শাখার রেল যাত্রীদের জন্য খুশির খবর। আগামী এক বছরের মধ্যে এই শাখায় তৈরি হবে ডাবল লাইন। ইতিমধ্যে রেল মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ৩৯৬ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ শাখার বনগাঁ-রানাঘাট ডাবল লাইন করার দাবি দীর্ঘদিনের। নিত্যযাত্রীরা বহুবার আবেদন জানালেও এতদিন এবিষয়ে সদুত্তর মেলেনি। অবশেষে খুশির খবর পেলেন নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের আশা, এই রুটে ডাবল লাইন হলে বাড়বে ট্রেনের সংখ্যা। বাঁচবে সময়। পাশাপাশি বনগাঁ থেকে উত্তরবঙ্গে ট্রেন চালুর বিষয়ে আশাবাদী তাঁরা। বনগাঁ-রানাঘাট শাখায় ৯টি স্টেশন রয়েছে। মোট দূরত্ব ৩২ কিলোমিটারের বেশি। এই পথ যেতে প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট সময় লাগে। ক্রসিংয়ের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় মালগাড়ি গেলে দেরি হয় ট্রেন ছাড়তে। ডাবল লাইন চালু হলে সেই সমস্যা মিটবে বলে মনে করছেন নিত্যযাত্রীরা। বনগাঁ-রানাঘাট শাখায় ডাবল লাইনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করে আসছে রানাঘাট-বনগাঁ রেলওয়ে প্যাসেঞ্জারস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শিশির ঘোষ বলেন, রেল মন্ত্রক এই শাখায় ডাবল লাইনের জন্য অর্থ অনুমোদন করেছে এটা খুবই খুশির খবর। আমরা চাই, এই লাইনে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ুক। 

Advertisement

পাশাপাশি দূরপাল্লার ট্রেন চালু হোক। বর্তমানে এই শাখায় এক ঘণ্টা অন্তর ট্রেন চলাচল করে। সন্ধ্যা ৬টার পর বনগাঁ থেকে রানাঘাট যাওয়ার ট্রেন ৭টা ৪২ মিনিটে। অফিস ফেরত যাত্রীরা কোনও কারণে ৬টার ট্রেন মিস করলে প্রায় দু’ঘণ্টা স্টেশনে বসে থাকতে হয়। নিত্যযাত্রী শুভ সরকার বলেন, ৬টার ট্রেন মিস হলে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। ডাবল লাইন চালু হলে ট্রেন বাড়বে। কমবে এই ভোগান্তি। বনগাঁ-রানাঘাট শাখায় ডাবল লাইন চালু হলে এই রুট দিয়ে রেলপথে ভারত বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ