নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ১৮ বছর বয়স হলেই একজন ছাত্রী কন্যাশ্রী কে টু প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। সাধারণত স্কুলের গণ্ডি পার করে কলেজে ভর্তি হলে এই প্রকল্পের জন্য কোনও তরুণীকে যোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় কে টু প্রকল্পে আবেদন করার আগ্রহ কিছুটা হলেও কম। যেমন গত বছর প্রায় ২০ হাজার কম আবেদন এসেছে। কারণ হিসেবে আধিকারিকরা বলছেন, অনেক ছাত্রী আগ্রহী নন, কেউ আবার বিয়ে করে নিচ্ছেন। সচেতনতার অভাবও এর একটি বড় কারণ বলে অনেকে মনে করছেন।
বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলেও। স্কুলস্তরে কন্যাশ্রী কে ওয়ান প্রকল্পে আবেদন করা নিয়ে যতটা আগ্রহ দেখা যায়, কে টু নিয়ে কেন সেই আগ্রহ নেই, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনেক ছাত্রীই জানেন না যে, কলেজে ভর্তি হলেই কে টুর জন্য আবেদন করা যায়। যেমন কয়েকদিন আগে সোনারপুরের এক বাসিন্দা কলেজে ভর্তি হওয়ার পর বারে বারে প্রশাসনের কাছে দরবার করেছেন। তিনি কন্যাশ্রীর সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন। পরে খোঁজ করে দেখা দিয়েছে, ওই ছাত্রী কলেজে ওঠার পর নতুন করে আর আবেদনই করেননি। দ্বাদশ শ্রেণিতে পাঠরত ছাত্রীদের এ বিষয়ে সচেতন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে, গত অর্থ বর্ষে জালিয়াতি করে রূপশ্রী প্রকল্পে দু’বার সুবিধে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। তদন্ত করে এমন ১৫ জনকে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। তাঁদের দ্বিতীয়বার নেওয়া টাকা ফেরত দিতে হয়েছে। এজন্য ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা রাজ্যের কোষাগারে জমা পড়েছে।