নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রতিবেশী নেপাল এখনও জয়েশ-ই-মহম্মদ এবং লস্কর-ই-তোইবার মতো পাক জঙ্গি সংগঠনের জন্য মুক্তাঞ্চল! পাশাপাশি নেপালে বিকেআই, কেএলএফ, কেসিএফ-এর মতো খালিস্তানপন্থী সংগঠনের গতিবিধি রয়েছে যথেষ্টই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আশঙ্কা, অপারেশন সিন্দুর পরবর্তী প্রেক্ষাপটে ইন্দো-নেপাল অরক্ষিত সীমান্তের সুযোগ নিয়ে এদেশে আচমকা হামলা চালাতে পারে আইএসআই মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। এখবর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের এক বিশেষ সূত্রের।
১৩ মে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একাধিক সংস্থা ঠিক এই ভাষাতেই ইন্দো-নেপাল সীমান্ত সম্পর্কে সব রাজ্যকে সতর্ক করেছে। উল্লেখ্য, নেপালের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বিহার ও উত্তরপ্রদেশের। এই সূত্রে রাজ্য গোয়েন্দা সংগঠন আইবি’র পক্ষ থেকে বাংলার সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে এরাজ্যের সব জেলার এসপি ও এসটিএফ গোয়েন্দাদের এবং এসএসবিকে।
ঠিক এই পরিস্থিতিতে ইন্দো-নেপাল সীমান্তবর্তী সমস্ত রাজ্যকে সীমান্তে অবিলম্বে কড়াকড়ি শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইন্দো-নেপাল সীমান্তে চেকপোস্ট দিয়ে রোজকার গাড়ি ও লোক পারাপারের ক্ষেত্রে এসএসবি’র সঙ্গে সমন্বয় রেখে রাজ্য পুলিসকে নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। আইবি’র সতর্ক বার্তায় আরও বলা হয়েছে, এক্স সিমি এবং মৌলবাদী সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি জেল-ফেরত লোকদের গতিবিধির উপরও নজর রাখতে হবে।
বলা হয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, তুরস্কের মতো ‘শত্রুভাবাপন্ন’ দেশগুলি থেকে আসা বিদেশি নাগরিকদের গতিবিধির উপর কড়া নজরদারি চাই। সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ধর্মীয় স্থানে আনাগোনা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের উপরও বিশেষ নজর রাখতে হবে। তেমনি নজরদারি জরুরি ধর্মীয় স্থানের কর্মীদের উপরেও। অন্যদিকে, দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় ফোনের সিম কার্ড বিক্রয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের উপর নজরদারি চলবে।