পুরী, ৩ আগস্ট: ওড়িশার সেই অগ্নিদগ্ধ নির্যাতিতার মৃত্যুর জন্য কেউই দায়ী নন! এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি পুলিসের। গতকাল, শনিবারই দিল্লি এইমসে মৃত্যু হয় ওই নির্যাতিতা নাবালিকার। গত ১৯ জুলাই পুরীর বলঙ্গের একটি রাস্তা থেকে দিনের আলোয় তুলে নিয়ে গিয়ে ওই নাবালিকার গায়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল তিন দুষ্কৃতী। এমনটাই অভিযোগ ছিল নির্যাতিতার পরিবারের তরফে। যার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। যদিও ওড়িশা পুলিসের দাবি এই ঘটনার সঙ্গে কেউই যুক্ত নন। তাহলে কী আত্মহত্যা করেছে ওই নির্যাতিতা? সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি পুলিস। এর মাঝেই মৃতার বাবার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে (ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করেনি বর্তমান)।
যাতে তিনি দাবি করছেন তাঁর মেয়ের মানসিক সমস্যা ছিল। অবসাদে ভুগছিলেন, সেই কারণেই নিজেই গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন। নির্যাতিতার মৃত্যুর পরেই পরিবারের তরফে এইভাবে নতুন দাবি করায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিসও তদন্তে কোনও দুষ্কৃতী যোগ দেখেনি। যেটি নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। গত ১৯ জুলাই পুরীর বলঙ্গতে ওই নাবালিকা অগ্নিদগ্ধ হয়। তার শরীরের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। চিকিৎসার জন্য ওই নির্যাতিতাকে প্রথমে ভুবনেশ্বর ও পরে দিল্লি এইমসে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা সবরকমভাবেই চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ১৪ দিনের লড়াইয়ে শেষে গতকাল, শনিবার হার মানেন ওই নির্যাতিতা নাবালিকা। এই ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাজি।